ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

গ্যাস লিকের বিস্ফোরণ, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

ঢাকার উত্তরা এলাকার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সোনিয়া আক্তার মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ২৪ বছর।

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছিল। তার শরীরের শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।

আরও পড়ুন  গ্যাস লিকেজে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নারীসহ দগ্ধ ৩

এর আগে শুক্রবার ভোরে উত্তরার বামনারটেক কবরস্থান সড়কে রাজ্জাক মেম্বারের বাড়ির পাশের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তুরাগ থানা পুলিশ জানায়, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার পর ভোর ৫টার দিকে দগ্ধ ১০ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন সোনিয়ার স্বামী রুবেল (২৭), তাদের তিন বছরের মেয়ে রোজা, সোনিয়ার বড় বোন রিয়া আক্তার (২৫), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত আলী (৩০), তার স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩৫), এনায়েতের ভাগ্নি আয়েশা আক্তার (১৮) এবং আবু কালাম রুবেল (৩৫)।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে রুবেলের শরীরের ৩২ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, এনায়েতের ৪৫ শতাংশ, দুলারার ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশার ১২ শতাংশ এবং আবু কালামের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

প্রতিবেশী ও এনায়েতের ভাগ্নে সাজেদ মাতব্বর জানান, দ্বিতীয় তলার বাসায় রুবেল-সোনিয়া দম্পতি তাদের সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। রুবেল মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

এনায়েত আলী দুবাইপ্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরে তিনি পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রুবেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস লিকের বিস্ফোরণ, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু

আপডেট সময় ০১:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ঢাকার উত্তরা এলাকার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সোনিয়া আক্তার মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ২৪ বছর।

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছিল। তার শরীরের শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এর আগে শুক্রবার ভোরে উত্তরার বামনারটেক কবরস্থান সড়কে রাজ্জাক মেম্বারের বাড়ির পাশের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তুরাগ থানা পুলিশ জানায়, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার পর ভোর ৫টার দিকে দগ্ধ ১০ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন সোনিয়ার স্বামী রুবেল (২৭), তাদের তিন বছরের মেয়ে রোজা, সোনিয়ার বড় বোন রিয়া আক্তার (২৫), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত আলী (৩০), তার স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩৫), এনায়েতের ভাগ্নি আয়েশা আক্তার (১৮) এবং আবু কালাম রুবেল (৩৫)।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে রুবেলের শরীরের ৩২ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, এনায়েতের ৪৫ শতাংশ, দুলারার ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশার ১২ শতাংশ এবং আবু কালামের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

প্রতিবেশী ও এনায়েতের ভাগ্নে সাজেদ মাতব্বর জানান, দ্বিতীয় তলার বাসায় রুবেল-সোনিয়া দম্পতি তাদের সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। রুবেল মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

এনায়েত আলী দুবাইপ্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরে তিনি পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রুবেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর।