ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রাঙ্গামাটি সাজেকে দুই পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ শিশু ফেনীবাসীর দাবি পূরণ হবে: পরিবেশমন্ত্রীর অ্যাপলকে ৭০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবদল সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ও ভাঙচুর ২৫ বোয়িংয়ের পর এবার ১০ এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্ত সরকারের দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতির স্ত্রী থেকে কৃষকের স্ত্রী সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম সালমান পোস্ট সরালেও জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস নিয়ে প্রশ্ন তথ্য উপদেষ্টার জ্বালানি সংকট নিয়ে নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান

ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ১৯

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 519

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারতের ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১৮ জন মাওবাদী বিদ্রোহী। বৃহস্পতিবার সকালে দান্তেওয়াড়া ও বিজাপুর সীমান্তের গভীর জঙ্গলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাওবাদী বিদ্রোহীদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে অভিযান চালায়। ভোরের আলো ফোটার আগেই বস্তার রেঞ্জের পুলিশ সদস্যরা বিজাপুর জেলার গঙ্গালুর এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। হঠাৎই বিদ্রোহীরা গুলি ছুড়তে শুরু করলে উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষ বাধে।

আরও পড়ুন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত ৩০

বস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দরাজ পি জানান, সংঘর্ষে বিজাপুর ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের (ডিআরজি) এক সদস্য নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো তল্লাশি অভিযান চলছে।

এদিকে, একই রাতে নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড় এলাকায় মাওবাদীরা আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণের ধুলোর ঝাপটায় দুইজন সেনা সদস্য সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা এখন নিরাপদে রয়েছেন।

চলতি বছর ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে একাধিক সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৫ জন মাওবাদী বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন বস্তার এলাকায়।

দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে দীর্ঘদিন ধরেই মাওবাদীদের তৎপরতা চলছে। সরকার বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী বড় সাফল্য পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটিগুলো চিহ্নিত করে অভিযান জোরদার করলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ১৯

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ভারতের ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১৮ জন মাওবাদী বিদ্রোহী। বৃহস্পতিবার সকালে দান্তেওয়াড়া ও বিজাপুর সীমান্তের গভীর জঙ্গলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাওবাদী বিদ্রোহীদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে অভিযান চালায়। ভোরের আলো ফোটার আগেই বস্তার রেঞ্জের পুলিশ সদস্যরা বিজাপুর জেলার গঙ্গালুর এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। হঠাৎই বিদ্রোহীরা গুলি ছুড়তে শুরু করলে উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষ বাধে।

আরও পড়ুন  কুষ্টিয়ায় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

বস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দরাজ পি জানান, সংঘর্ষে বিজাপুর ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের (ডিআরজি) এক সদস্য নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো তল্লাশি অভিযান চলছে।

এদিকে, একই রাতে নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড় এলাকায় মাওবাদীরা আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণের ধুলোর ঝাপটায় দুইজন সেনা সদস্য সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা এখন নিরাপদে রয়েছেন।

চলতি বছর ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে একাধিক সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৫ জন মাওবাদী বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন বস্তার এলাকায়।

দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে দীর্ঘদিন ধরেই মাওবাদীদের তৎপরতা চলছে। সরকার বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী বড় সাফল্য পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটিগুলো চিহ্নিত করে অভিযান জোরদার করলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।