ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক

হিন্দুদের ওপর হামলার কারণ ধর্মীয় নয়, বরং রাজনৈতিক – মার্কিন সিনেটরকে জানালেন ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • / 604

ছবি: সংগৃহীত

 

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা করা তার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। বর্ণ, ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার অধিকার সংরক্ষণে সরকার আপসহীন।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মার্কিন সিনেটর গ্যারি পিটার্সের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এই কথা বলেন। আলোচনায় উঠে আসে সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গত আগস্টে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর কিছু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা ধর্মীয় নয়, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে তার সরকার দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা: “শুধু আক্রমণের মুখেই আলোচনা চলবে এবং এটি কেবল শুরু” বললেন নেতানিয়াহু

সিনেটর গ্যারি পিটার্স জানান, তার নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অনেকে সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই হামলাগুলো নিয়ে প্রচুর ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রেও প্রভাব ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত বাংলাদেশ সফর করে বাস্তব পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখা। তিনি মার্কিন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সমাজকর্মীদের বাংলাদেশে এসে ধর্মীয় সম্প্রীতির বাস্তব চিত্র দেখার আহ্বান জানান।

নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সীমিত সংস্কারে রাজি হলে আগামী ডিসেম্বরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে, যদি তারা বৃহত্তর রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে থাকে, তাহলে নির্বাচন কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে পারে।

তিনি আশ্বস্ত করেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের দিন একটি বড় উদযাপন হবে, যেমনটি আমরা অতীতে দেখেছি।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই মাসে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবে, যা দেশের ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা ঠিক করবে। একবার তারা মূল কমিশনের প্রস্তাবিত সংস্কারের সঙ্গে একমত হলেই এই ঘোষণা চূড়ান্ত হবে।

সিনেটর পিটার্স বাংলাদেশে সরকারের নেওয়া সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি মসৃণ গণতান্ত্রিক পরিবর্তন প্রত্যাশা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হিন্দুদের ওপর হামলার কারণ ধর্মীয় নয়, বরং রাজনৈতিক – মার্কিন সিনেটরকে জানালেন ড. ইউনূস

আপডেট সময় ১২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা করা তার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। বর্ণ, ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার অধিকার সংরক্ষণে সরকার আপসহীন।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মার্কিন সিনেটর গ্যারি পিটার্সের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এই কথা বলেন। আলোচনায় উঠে আসে সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গত আগস্টে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর কিছু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা ধর্মীয় নয়, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে তার সরকার দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  মাতৃভাষা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট ও সিলমোহর অবমুক্ত করলেন c

সিনেটর গ্যারি পিটার্স জানান, তার নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অনেকে সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই হামলাগুলো নিয়ে প্রচুর ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রেও প্রভাব ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত বাংলাদেশ সফর করে বাস্তব পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখা। তিনি মার্কিন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সমাজকর্মীদের বাংলাদেশে এসে ধর্মীয় সম্প্রীতির বাস্তব চিত্র দেখার আহ্বান জানান।

নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সীমিত সংস্কারে রাজি হলে আগামী ডিসেম্বরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে, যদি তারা বৃহত্তর রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে থাকে, তাহলে নির্বাচন কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে পারে।

তিনি আশ্বস্ত করেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের দিন একটি বড় উদযাপন হবে, যেমনটি আমরা অতীতে দেখেছি।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই মাসে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবে, যা দেশের ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা ঠিক করবে। একবার তারা মূল কমিশনের প্রস্তাবিত সংস্কারের সঙ্গে একমত হলেই এই ঘোষণা চূড়ান্ত হবে।

সিনেটর পিটার্স বাংলাদেশে সরকারের নেওয়া সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি মসৃণ গণতান্ত্রিক পরিবর্তন প্রত্যাশা করে।