০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর শান্তি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য জুলুম করা যাবে না: সারজিস আলম

মালয়েশিয়া থেকে আড়াই লাখ অবৈধ অভিবাসী ফেরত: আতঙ্কে বাংলাদেশিরা, চলমান অভিযান আরও তীব্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 135

ছবি সংগৃহীত

 

মালয়েশিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাচ্ছেন প্রায় ২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৩২ জন অবৈধ অভিবাসী, যাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের প্রবাসীরা। দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান সোমবার (১০ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে, বিস্তারিত জানানো হয়নি বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা সম্পর্কে।

২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় ১১৫টি দেশের অবৈধ অভিবাসী দেশে ফিরতে নিবন্ধন করেছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৩ লাখ।

প্রতিবেদনটি জানায়, মালয়েশিয়া সরকার অবৈধ প্রবেশ এবং বৈধ অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত সময় অবস্থানের অপরাধে জরিমানা ধার্য করে অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দেয়। অবৈধ প্রবেশকারীদের ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা এবং পাস শর্ত লঙ্ঘনের জন্য ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে, মালয়েশিয়া সরকারের অভিবাসন পুলিশ অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বৈধ পাস বা পারমিট ছাড়া কাজ করা, অথবা বৈধ ভিসা ছাড়াই কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে মালয়েশিয়ায় থাকা বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে, কারণ বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ১৫ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় ফিরতে যাওয়া বেশিরভাগ অভিবাসীই কাগজপত্রবিহীন অথবা কর্মহীন। বিশেষ করে কলিং ভিসায় এসে সঠিক কাজ না পেয়ে অনেকেই দেশে ফিরে যাচ্ছেন। এদের অনেককে নানা প্রতিষ্ঠান ফ্রি ভিসার নামে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছে, কিন্তু সেখানে তাদের জন্য যথাযথ কর্মসংস্থান পাওয়া যায়নি।

জাকারিয়া শাবান আরও জানান, মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন, ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩ অনুসারে, যেকোনো বিদেশি নাগরিক যদি এসব আইন ভঙ্গ করেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ অভিবাসীরা উদ্বিগ্ন, এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া থেকে আড়াই লাখ অবৈধ অভিবাসী ফেরত: আতঙ্কে বাংলাদেশিরা, চলমান অভিযান আরও তীব্র

আপডেট সময় ০১:২০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

মালয়েশিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাচ্ছেন প্রায় ২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৩২ জন অবৈধ অভিবাসী, যাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের প্রবাসীরা। দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান সোমবার (১০ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে, বিস্তারিত জানানো হয়নি বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা সম্পর্কে।

২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় ১১৫টি দেশের অবৈধ অভিবাসী দেশে ফিরতে নিবন্ধন করেছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৩ লাখ।

প্রতিবেদনটি জানায়, মালয়েশিয়া সরকার অবৈধ প্রবেশ এবং বৈধ অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত সময় অবস্থানের অপরাধে জরিমানা ধার্য করে অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দেয়। অবৈধ প্রবেশকারীদের ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা এবং পাস শর্ত লঙ্ঘনের জন্য ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে, মালয়েশিয়া সরকারের অভিবাসন পুলিশ অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বৈধ পাস বা পারমিট ছাড়া কাজ করা, অথবা বৈধ ভিসা ছাড়াই কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে মালয়েশিয়ায় থাকা বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে, কারণ বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ১৫ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় ফিরতে যাওয়া বেশিরভাগ অভিবাসীই কাগজপত্রবিহীন অথবা কর্মহীন। বিশেষ করে কলিং ভিসায় এসে সঠিক কাজ না পেয়ে অনেকেই দেশে ফিরে যাচ্ছেন। এদের অনেককে নানা প্রতিষ্ঠান ফ্রি ভিসার নামে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছে, কিন্তু সেখানে তাদের জন্য যথাযথ কর্মসংস্থান পাওয়া যায়নি।

জাকারিয়া শাবান আরও জানান, মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন, ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩ অনুসারে, যেকোনো বিদেশি নাগরিক যদি এসব আইন ভঙ্গ করেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ অভিবাসীরা উদ্বিগ্ন, এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশঙ্কা রয়েছে।