ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি সৌদি আরবে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা, বিকট বিস্ফোরণ ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হরমুজ প্রণালি ‘বন্ধ’, তেল পরিবহনে কঠোর বার্তা তেহরানের জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পাচ্ছে জামায়াত ওমানের মধ্যস্থতার আলোচনার খবর ‘ভিত্তিহীন’: বলছে তেহরান ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি পরিপন্থী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রাজিল: দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ও বৈচিত্র্যের শক্তি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ওজন কমানোর ‘গোপন অস্ত্র’ পর্যাপ্ত ঘুম?

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা দ্রুত চিহ্নিত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 302

ছবি সংগৃহীত

 

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা অতি দ্রুত চিহ্নিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাজধানীর পূর্বাচলে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে বছরে ৮ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য, নদীতে যাচ্ছে হাজার টন

তিনি বলেন, “এখানে এখনো মোটামুটি সতেজ একটি বন রয়েছে। সীমানা চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি এবং এটা দ্রুতই করা হবে। আমরা চাই, ঢাকার মানুষের জন্য এটি একটি নিকটবর্তী বন হিসেবে গড়ে উঠুক যেখানে তারা ঘুরতে আসতে পারবে।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “ভুল বনায়ন নীতি, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়নের কারণে পূর্বাচলের শালবন ধ্বংসের মুখে পড়ে। পূর্বাচল প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজে রাজউক বনাঞ্চলের একটি অংশকে তাদের আওতায় আনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪৪ একর বন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি।”

তিনি জানান, “আমরা শালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই বন পুনরুদ্ধারে কাজ করবো। এখানকার ভূতাত্ত্বিক গঠনের দিক থেকে জায়গাটি তুলনামূলক উঁচু, তাই এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে শালবন ফিরিয়ে আনার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব জায়গা এখনও খালি, সেখানে শালগাছ রোপণ করে ভূমি দখলের আশঙ্কা রোধ করা হবে।”

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “এই বনাঞ্চল আগে থেকেই সরকারিভাবে সংরক্ষিত বন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। বর্তমানে এটিকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “বনের জমির ভেতরে যদি কেউ প্রথাগত বনবাসী না হন, তাহলে তার বসবাসের বৈধতা নেই। যারা অবৈধভাবে দখল করে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ওই জমি ছাড়তে হবে।”

পরিদর্শনকালে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্ল্যা পাটওয়ারী, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, সামাজিক বন বিভাগ ঢাকা অঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় কর্মকর্তা শারমিন আক্তারসহ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা দ্রুত চিহ্নিত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা অতি দ্রুত চিহ্নিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাজধানীর পূর্বাচলে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  পূর্বাচলে শুরু হলো ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

তিনি বলেন, “এখানে এখনো মোটামুটি সতেজ একটি বন রয়েছে। সীমানা চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি এবং এটা দ্রুতই করা হবে। আমরা চাই, ঢাকার মানুষের জন্য এটি একটি নিকটবর্তী বন হিসেবে গড়ে উঠুক যেখানে তারা ঘুরতে আসতে পারবে।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “ভুল বনায়ন নীতি, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়নের কারণে পূর্বাচলের শালবন ধ্বংসের মুখে পড়ে। পূর্বাচল প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজে রাজউক বনাঞ্চলের একটি অংশকে তাদের আওতায় আনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪৪ একর বন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি।”

তিনি জানান, “আমরা শালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই বন পুনরুদ্ধারে কাজ করবো। এখানকার ভূতাত্ত্বিক গঠনের দিক থেকে জায়গাটি তুলনামূলক উঁচু, তাই এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে শালবন ফিরিয়ে আনার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব জায়গা এখনও খালি, সেখানে শালগাছ রোপণ করে ভূমি দখলের আশঙ্কা রোধ করা হবে।”

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “এই বনাঞ্চল আগে থেকেই সরকারিভাবে সংরক্ষিত বন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। বর্তমানে এটিকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “বনের জমির ভেতরে যদি কেউ প্রথাগত বনবাসী না হন, তাহলে তার বসবাসের বৈধতা নেই। যারা অবৈধভাবে দখল করে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ওই জমি ছাড়তে হবে।”

পরিদর্শনকালে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্ল্যা পাটওয়ারী, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, সামাজিক বন বিভাগ ঢাকা অঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় কর্মকর্তা শারমিন আক্তারসহ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।