ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

নারী অধিকার রক্ষায় নতুন করে কমিশন পুনর্গঠনের দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 361

ছবি: সংগৃহীত

 

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নারী শিক্ষার্থীরা। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। শতাধিক নারী শিক্ষার্থী এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা কমিশনের সুপরিশকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, যৌন পেশাকে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। যা নারী সমাজের জন্য চরম অবমাননাকর ও সবার ওপর চাপিয়ে দেওয়া; যা কাম্য নয়। ইসলামে নারীদের অধিকার কোনো অংশেই কম দেওয়া হয়নি বরং আরো সম্মানিত করেছে। এই শাহাজালালের ভূমি থেকে আমরা কখনই এসব অযৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন হতে দেব না।

আরও পড়ুন  ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবি: নিখোঁজ আরও দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা অধ্যাপক ড. খন্দকার আরিফা বলেন, কমিশনে যারা বসে আছে তারা বেশিরভাগই পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত এনজিও কর্মী। বৃহত্তর নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে, এমন নারীদের নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করে তারপর সংস্কারের প্রস্তাব আনা দরকার।

তিনি আরও বলেন, কতিপয় সুপারিশ কোরআন এবং হাদিসের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি সকল ধর্মের মূল্যবোধকে অপমান করেছে। বাংলাদেশের জনগণ এক বাক্যে তা প্রত্যাখ্যান করছে।

শিক্ষার্থীরা বর্তমান কমিশন ভেঙে সংস্কার করে নতুন করে কমিশন গঠনের দাবিও জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

নারী অধিকার রক্ষায় নতুন করে কমিশন পুনর্গঠনের দাবি

আপডেট সময় ০৯:২৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

 

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নারী শিক্ষার্থীরা। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। শতাধিক নারী শিক্ষার্থী এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা কমিশনের সুপরিশকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, যৌন পেশাকে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। যা নারী সমাজের জন্য চরম অবমাননাকর ও সবার ওপর চাপিয়ে দেওয়া; যা কাম্য নয়। ইসলামে নারীদের অধিকার কোনো অংশেই কম দেওয়া হয়নি বরং আরো সম্মানিত করেছে। এই শাহাজালালের ভূমি থেকে আমরা কখনই এসব অযৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন হতে দেব না।

আরও পড়ুন  কুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা অধ্যাপক ড. খন্দকার আরিফা বলেন, কমিশনে যারা বসে আছে তারা বেশিরভাগই পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত এনজিও কর্মী। বৃহত্তর নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে, এমন নারীদের নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করে তারপর সংস্কারের প্রস্তাব আনা দরকার।

তিনি আরও বলেন, কতিপয় সুপারিশ কোরআন এবং হাদিসের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি সকল ধর্মের মূল্যবোধকে অপমান করেছে। বাংলাদেশের জনগণ এক বাক্যে তা প্রত্যাখ্যান করছে।

শিক্ষার্থীরা বর্তমান কমিশন ভেঙে সংস্কার করে নতুন করে কমিশন গঠনের দাবিও জানান।