ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

মেয়র পদে ইশরাক হোসেনকে বসানো নিয়ে উত্তপ্ত গুলিস্তান, চলছেই লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 172

ছবি সংগৃহীত

 

 

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তানে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেন, আদালতের রায় ও গেজেট প্রকাশের পরও নানা টালবাহানায় ইশরাক হোসেনকে এখনো মেয়র পদে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন  ব্যান্ড ব্যান্ড আওয়ামী লীগ ব্যান্ড শ্লোগানে শাহাবাগ কাঁপাচ্ছে ছাত্র জনতা

বিক্ষোভের কারণে গুলিস্তান মাজার থেকে বঙ্গবাজারমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় তীব্র যানজট।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক নেতা বলেন, “আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ইশরাক হোসেন বৈধভাবে নির্বাচিত মেয়র। কিন্তু এখনো তাকে শপথ না করিয়ে বেআইনিভাবে দায়িত্ব আটকে রাখা হয়েছে। আমরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকব।”

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে হাজারো মানুষ নগরভবনের সামনে মানববন্ধন করেন। পরে সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়লে তা রূপ নেয় বিক্ষোভে। সেখান থেকেই ঘোষণা আসে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকার দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে প্রায় পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

তবে চলতি বছরের ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বৈধ মেয়র ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশন ২৭ এপ্রিল ইশরাককে মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে।

ইসির গেজেট প্রকাশের পর শপথ গ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন ইশরাক হোসেন। তবে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ না পাওয়ায় এখনও পর্যন্ত শপথের আয়োজন করা হয়নি বলে জানা গেছে।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও শপথে দেরি করার অর্থই হলো জনগণের রায়ের অবমাননা। তাই এই অবস্থান কর্মসূচি চলতেই থাকবে যতদিন না ইশরাক দায়িত্ব পান।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেয়র পদে ইশরাক হোসেনকে বসানো নিয়ে উত্তপ্ত গুলিস্তান, চলছেই লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় ০১:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

 

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তানে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেন, আদালতের রায় ও গেজেট প্রকাশের পরও নানা টালবাহানায় ইশরাক হোসেনকে এখনো মেয়র পদে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন  বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে সহায়তা পুনরায় চালু করলো যুক্তরাষ্ট্র

বিক্ষোভের কারণে গুলিস্তান মাজার থেকে বঙ্গবাজারমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় তীব্র যানজট।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক নেতা বলেন, “আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ইশরাক হোসেন বৈধভাবে নির্বাচিত মেয়র। কিন্তু এখনো তাকে শপথ না করিয়ে বেআইনিভাবে দায়িত্ব আটকে রাখা হয়েছে। আমরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকব।”

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে হাজারো মানুষ নগরভবনের সামনে মানববন্ধন করেন। পরে সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়লে তা রূপ নেয় বিক্ষোভে। সেখান থেকেই ঘোষণা আসে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকার দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে প্রায় পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

তবে চলতি বছরের ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বৈধ মেয়র ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশন ২৭ এপ্রিল ইশরাককে মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে।

ইসির গেজেট প্রকাশের পর শপথ গ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন ইশরাক হোসেন। তবে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ না পাওয়ায় এখনও পর্যন্ত শপথের আয়োজন করা হয়নি বলে জানা গেছে।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও শপথে দেরি করার অর্থই হলো জনগণের রায়ের অবমাননা। তাই এই অবস্থান কর্মসূচি চলতেই থাকবে যতদিন না ইশরাক দায়িত্ব পান।