ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

“মিরপুরের উইকেট নিয়ে লিটনের ভিন্ন সুর”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / 890

ছবি: সংগৃহীত

 

সম্প্রতি শেষ হওয়া সিরিজে মিরপুর শেরে-ই-বাংলার উইকেট নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক দেখা গেছে। সিরিজের শুরুতেই পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসন প্রথম ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেন।

গতকাল তৃতীয় ও শেষ ম্যাচের পর পাকিস্তান দলের অধিনায়ক সালমান আগা বলেন, এমন ধরনের উইকেট আসন্ন এশিয়া কাপ বা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য উপযোগী নয়—এভাবেই প্রকাশ করেন নিজের অসন্তোষ।

আরও পড়ুন  সেরা ক্রিকেট খেললে সবকিছু সম্ভব’, ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে লিটন

অন্যদিকে, বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাস উইকেট নিয়ে উল্টো মত দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “না, উইকেটটি ভালো ছিল। আগের দুটি ম্যাচের তুলনায় এই উইকেট অনেক বেশি ব্যাটিং সহায়ক ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের বোলিং ইউনিট চমৎকার করেছে। আমি মনে করি, ১৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করার মতো পরিস্থিতি ছিল। তবে ব্যাটাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারেনি।”

লিটন উদাহরণ টেনে বলেন, “সেন্ট ভিনসেন্টে সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে একই রকম উইকেটে খেলেছি। সেখানে ১৩০ বা ১৪০ রানের স্কোরও বড় মনে হয়েছে। ক্রিকেটে এমন দিন আসবেই। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সেসব পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে জানতে হবে।”

তিনি বলেন, “প্রথম দুই ম্যাচে আমরা মানিয়ে নিয়েছিলাম, ওরা পারেনি। আজকে উল্টোটা হয়েছে—ওরা ভালো খেলেছে, আমরা পারিনি।”

টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্নে লিটন বলেন, “এটাকে আমি কোনো দুঃসংবাদ মনে করি না, বরং আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি। আগের চার ম্যাচে আমাদের টপ অর্ডারে কেউ না কেউ রান করেছে। শুধু শেষ ম্যাচেই ব্যাটিং ব্যর্থ হয়েছে।”

তিনি যোগ করেন, “ক্রিকেট এমন একটা খেলা যেখানে কাউকে এককভাবে দোষারোপ করা উচিত নয়। প্রত্যেকেই সুযোগ পেলে ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে। আজকের উইকেট আসলে বেশ ভালো ছিল, তবে ব্যাটিং ইউনিট ভালো খেলতে পারেনি।”

অবশেষে, এই ধরনের উইকেট ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলোতে কাজে লাগবে কি না—এমন প্রশ্নে লিটনের জবাব, “নিশ্চয়ই, এমন উইকেটে খেলে গেলে তা আমাদের ব্যাটিং ও বোলিং—দুই ক্ষেত্রেই উপকারে আসবে। আমি মনে করি এটা সাহায্য করবে।”

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

“মিরপুরের উইকেট নিয়ে লিটনের ভিন্ন সুর”

আপডেট সময় ১১:৪৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

 

সম্প্রতি শেষ হওয়া সিরিজে মিরপুর শেরে-ই-বাংলার উইকেট নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক দেখা গেছে। সিরিজের শুরুতেই পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসন প্রথম ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেন।

গতকাল তৃতীয় ও শেষ ম্যাচের পর পাকিস্তান দলের অধিনায়ক সালমান আগা বলেন, এমন ধরনের উইকেট আসন্ন এশিয়া কাপ বা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য উপযোগী নয়—এভাবেই প্রকাশ করেন নিজের অসন্তোষ।

আরও পড়ুন  লিটন-শান্তর ১৬০, নিউজিল্যান্ডকে ২৬৬ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

অন্যদিকে, বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাস উইকেট নিয়ে উল্টো মত দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “না, উইকেটটি ভালো ছিল। আগের দুটি ম্যাচের তুলনায় এই উইকেট অনেক বেশি ব্যাটিং সহায়ক ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের বোলিং ইউনিট চমৎকার করেছে। আমি মনে করি, ১৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করার মতো পরিস্থিতি ছিল। তবে ব্যাটাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারেনি।”

লিটন উদাহরণ টেনে বলেন, “সেন্ট ভিনসেন্টে সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে একই রকম উইকেটে খেলেছি। সেখানে ১৩০ বা ১৪০ রানের স্কোরও বড় মনে হয়েছে। ক্রিকেটে এমন দিন আসবেই। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সেসব পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে জানতে হবে।”

তিনি বলেন, “প্রথম দুই ম্যাচে আমরা মানিয়ে নিয়েছিলাম, ওরা পারেনি। আজকে উল্টোটা হয়েছে—ওরা ভালো খেলেছে, আমরা পারিনি।”

টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্নে লিটন বলেন, “এটাকে আমি কোনো দুঃসংবাদ মনে করি না, বরং আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি। আগের চার ম্যাচে আমাদের টপ অর্ডারে কেউ না কেউ রান করেছে। শুধু শেষ ম্যাচেই ব্যাটিং ব্যর্থ হয়েছে।”

তিনি যোগ করেন, “ক্রিকেট এমন একটা খেলা যেখানে কাউকে এককভাবে দোষারোপ করা উচিত নয়। প্রত্যেকেই সুযোগ পেলে ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে। আজকের উইকেট আসলে বেশ ভালো ছিল, তবে ব্যাটিং ইউনিট ভালো খেলতে পারেনি।”

অবশেষে, এই ধরনের উইকেট ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলোতে কাজে লাগবে কি না—এমন প্রশ্নে লিটনের জবাব, “নিশ্চয়ই, এমন উইকেটে খেলে গেলে তা আমাদের ব্যাটিং ও বোলিং—দুই ক্ষেত্রেই উপকারে আসবে। আমি মনে করি এটা সাহায্য করবে।”