০৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন:

নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা চান ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 103

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র, ও তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে এক নতুন বাংলাদেশের জন্মের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

রোমে আইএফএডির সদর দফতরে অনুষ্ঠিত গভর্নিং কাউন্সিলের ৪৮তম অধিবেশনে তার একটি পূর্ব ধারণকৃত ভিডিও প্রচার করা হয়। এখানে তিনি বৈশ্বিক দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমানোর জন্য আইএফএডির প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানান এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষভাবে, তিনি বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের সফলতা তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

ড. ইউনূস তার ‘সামাজিক ব্যবসা’ ধারণাকে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি একটি চক্র, যেখানে ব্যবসা সমাজের চাহিদা পূরণ করে এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন আসে।”

এছাড়া, তিনি আইএফএডিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, টেকসই কৃষি চর্চা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশ্বে ‘থ্রি জিরো’ ভিশন শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ অর্জনের জন্যও তিনি উদাহরণ হিসেবে আইএফএডির কার্যক্রম তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ইউনূস তরুণদের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে পৃথিবীকে উন্নত করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণদের মধ্যে পরিবর্তনের শক্তি রয়েছে, যা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন:

নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা চান ড. ইউনূস

আপডেট সময় ০৫:৫৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র, ও তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে এক নতুন বাংলাদেশের জন্মের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

রোমে আইএফএডির সদর দফতরে অনুষ্ঠিত গভর্নিং কাউন্সিলের ৪৮তম অধিবেশনে তার একটি পূর্ব ধারণকৃত ভিডিও প্রচার করা হয়। এখানে তিনি বৈশ্বিক দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমানোর জন্য আইএফএডির প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানান এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষভাবে, তিনি বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের সফলতা তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

ড. ইউনূস তার ‘সামাজিক ব্যবসা’ ধারণাকে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি একটি চক্র, যেখানে ব্যবসা সমাজের চাহিদা পূরণ করে এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন আসে।”

এছাড়া, তিনি আইএফএডিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, টেকসই কৃষি চর্চা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশ্বে ‘থ্রি জিরো’ ভিশন শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ অর্জনের জন্যও তিনি উদাহরণ হিসেবে আইএফএডির কার্যক্রম তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ইউনূস তরুণদের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে পৃথিবীকে উন্নত করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণদের মধ্যে পরিবর্তনের শক্তি রয়েছে, যা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।