নতুন জাহাজে জ্বালানি এলেও সীমিত বিক্রি অব্যাহত থাকবে
- আপডেট সময় ০৮:০০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
- / 13
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় সরকার জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এ কারণে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে জ্বালানি বিক্রি বা রেশনিং পদ্ধতি আপাতত চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান। এর আগে তিনি উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলার কারণে অনেক তেল শোধনাগারে হামলা হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাই বর্তমানে যে জ্বালানি মজুত রয়েছে, সেটি সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহারের জন্য রেশনিং চালু রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, পেট্রোল পাম্পে গেলে বড় বড় লাইনে মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানির মজুত সতর্কভাবে ব্যবহার করা জরুরি। তাই সরকার রেশনিং চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে একটি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর-এ নোঙর করেছে এবং দুপুরে আরও একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এই দুটি জাহাজ আসার পর দেশে জ্বালানির মজুত আরও বাড়বে। তবুও পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত রেশনিং ব্যবস্থা চালু থাকবে।
জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে সরকার জ্বালানির দাম বাড়াবে বলে বিরোধীরা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তবে আপাতত দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তাই সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে জ্বালানি মজুত না করার আহ্বান জানান তিনি।
বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় গত শুক্রবার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। একই সঙ্গে দেশে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে পরিবেশকদের রেশনিং করে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে ইতোমধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী আটটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করা এসব জাহাজ গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই রওনা হয়েছিল এবং এখন বন্দরে পৌঁছেছে।
























