ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 387

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জাতীয় গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কেন এই নিয়োগ? (আসল কারণ)
এই বিশাল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পেছনে মূলত ৪টি মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে:
নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা: ভোটগ্রহণের আগে ও পরে প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, তা নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
স্ট্রাইকিং ফোর্সের নির্দেশনা: বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) যেসব টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে, তাদের আইনি দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের চার দিন থেকে শুরু করে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা বিশেষ ক্ষমতায় নিয়োজিত থাকবেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচন বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত, তবে প্রয়োজন সংস্কারগুলো সম্পন্ন করা: ইইউ রাষ্ট্রদূত

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. যোগদান: ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে যোগদান করতে হবে। যোগদানের আগে তাদের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২. ক্ষমতা: মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত এলাকায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ৩. তদারকি: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন। প্রতিদিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও (রেফারেন্ডাম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জাতীয় গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কেন এই নিয়োগ? (আসল কারণ)
এই বিশাল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পেছনে মূলত ৪টি মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে:
নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা: ভোটগ্রহণের আগে ও পরে প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, তা নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
স্ট্রাইকিং ফোর্সের নির্দেশনা: বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) যেসব টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে, তাদের আইনি দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের চার দিন থেকে শুরু করে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা বিশেষ ক্ষমতায় নিয়োজিত থাকবেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে, একদিনও দেরি নয়: প্রেস সচিব

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. যোগদান: ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে যোগদান করতে হবে। যোগদানের আগে তাদের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২. ক্ষমতা: মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত এলাকায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ৩. তদারকি: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন। প্রতিদিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও (রেফারেন্ডাম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।