০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কড়াইল বস্তিতে বিএনপির ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু ৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা.শফিকুর রহমান: আমির হামজা দুই বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেত্রী মিতু ‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন

জুনে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: রেমিট্যান্স এসেছে ২৮২ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 106

ছবি সংগৃহীত

 

 

বিদায়ী জুন মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৮২ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এর সমপরিমাণ দেশীয় মুদ্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে রেমিট্যান্স এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের ৩০ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬২ কোটি ৮১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭৮ কোটি ৭ লাখ ডলার দেশে এসেছে।

তবে জুন মাসজুড়ে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এ তালিকায় রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, চারটি বেসরকারি ব্যাংক ও দুটি বিদেশি ব্যাংক।

যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে জুনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি, সেগুলো হলো— রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক পিএলসি।

এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে ও কোনো রেমিট্যান্স আসেনি জুনে।

প্রসঙ্গত, এ বছরের মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে, যার পরিমাণ ছিল ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর এপ্রিল মাসে এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স, যা ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

কিন্তু গত মে মাসে সেই রেকর্ড ভেঙে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৭ কোটি ডলার, যা দেশে ৩৬ হাজার ২৩৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থের সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

প্রবাসী আয়ের এ ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং অর্থনীতির জন্য বড় সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুনে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: রেমিট্যান্স এসেছে ২৮২ কোটি ডলার

আপডেট সময় ১২:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

 

বিদায়ী জুন মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৮২ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এর সমপরিমাণ দেশীয় মুদ্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে রেমিট্যান্স এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের ৩০ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬২ কোটি ৮১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭৮ কোটি ৭ লাখ ডলার দেশে এসেছে।

তবে জুন মাসজুড়ে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এ তালিকায় রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, চারটি বেসরকারি ব্যাংক ও দুটি বিদেশি ব্যাংক।

যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে জুনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি, সেগুলো হলো— রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক পিএলসি।

এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে ও কোনো রেমিট্যান্স আসেনি জুনে।

প্রসঙ্গত, এ বছরের মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে, যার পরিমাণ ছিল ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর এপ্রিল মাসে এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স, যা ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

কিন্তু গত মে মাসে সেই রেকর্ড ভেঙে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৭ কোটি ডলার, যা দেশে ৩৬ হাজার ২৩৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থের সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

প্রবাসী আয়ের এ ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং অর্থনীতির জন্য বড় সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করছেন অর্থনীতিবিদরা।