ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 207

ছবি সংগৃহীত

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন  মিয়ানমারে সংঘর্ষ ও বিমান হামলায় প্রাণহানি বৃদ্ধি: জাতিসংঘের উদ্বেগ

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেরদিয়া গ্রামের নুরইসলাম মুন্সী ও সালাউদ্দিন কাজীর মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে নুরইসলামের সমর্থক মো. জিলু মোল্যাকে মারধর করে সালাউদ্দিন কাজীর অনুসারীরা। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিনোকদিয়া বাজারের কাছে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করে নুরইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন।

এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় অন্তত পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন  সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ১০

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেরদিয়া গ্রামের নুরইসলাম মুন্সী ও সালাউদ্দিন কাজীর মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে নুরইসলামের সমর্থক মো. জিলু মোল্যাকে মারধর করে সালাউদ্দিন কাজীর অনুসারীরা। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিনোকদিয়া বাজারের কাছে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করে নুরইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন।

এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় অন্তত পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।