০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 89

ছবি সংগৃহীত

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেরদিয়া গ্রামের নুরইসলাম মুন্সী ও সালাউদ্দিন কাজীর মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে নুরইসলামের সমর্থক মো. জিলু মোল্যাকে মারধর করে সালাউদ্দিন কাজীর অনুসারীরা। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিনোকদিয়া বাজারের কাছে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করে নুরইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন।

এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় অন্তত পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেরদিয়া গ্রামের নুরইসলাম মুন্সী ও সালাউদ্দিন কাজীর মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে নুরইসলামের সমর্থক মো. জিলু মোল্যাকে মারধর করে সালাউদ্দিন কাজীর অনুসারীরা। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিনোকদিয়া বাজারের কাছে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করে নুরইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন।

এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় অন্তত পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।