ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের প্রতি ট্রাম্পের শুভেচ্ছা, সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 124

ছবি: সংগৃহীত

 

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই ঐতিহাসিক দিবসে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ড. ইউনূসের ফেসবুক পেজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বার্তাটি প্রকাশ করা হয়। এতে তিনি বলেন, “আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশকে একটি নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে—গণতন্ত্রের বিকাশ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার।”

আরও পড়ুন  ট্রাম্প ইউরোপ থেকে ২০,০০০ আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহার করবেন।

ট্রাম্প তার বার্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আসন্ন বছরটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সময়। আমরা আমাদের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে, এবং এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক উন্নয়নসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।”

বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বার্তাগুলোর মধ্যে এই শুভেচ্ছা বার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ সময়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বার্তা দেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে যেমন শক্তিশালী করে, তেমনি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তিও প্রতিষ্ঠিত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের প্রতি ট্রাম্পের শুভেচ্ছা, সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ

আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই ঐতিহাসিক দিবসে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ড. ইউনূসের ফেসবুক পেজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বার্তাটি প্রকাশ করা হয়। এতে তিনি বলেন, “আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশকে একটি নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে—গণতন্ত্রের বিকাশ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার।”

আরও পড়ুন  শান্তি আলোচনায় রাশিয়াকে ইউক্রেনের চেয়ে সহজে সামলানো সম্ভব’ ইউক্রেন নিয়ে নতুন আশার সুর

ট্রাম্প তার বার্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আসন্ন বছরটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সময়। আমরা আমাদের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে, এবং এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক উন্নয়নসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।”

বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বার্তাগুলোর মধ্যে এই শুভেচ্ছা বার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ সময়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বার্তা দেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে যেমন শক্তিশালী করে, তেমনি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তিও প্রতিষ্ঠিত করে।