০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

ইসরাইল-হামাস সংঘাত: দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
  • / 91

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরাইল ও হামাস গাজায় পরবর্তী পর্যায়ের যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) উভয় পক্ষই এই প্রস্তুতির বিষয়টি ঘোষণা করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে রোববার (৯ মার্চ) এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য মধ্যস্থতাকারীরা চাপ প্রয়োগের পর ইসরাইল ও হামাস এই আলোচনা এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হামাস জানায়, তারা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুরুর জন্য ইতিবাচক নির্দেশনা পেয়েছে, তবে এর বাইরে আর কোনো বিস্তারিত জানায়নি।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইসরাইল মার্কিন সমর্থিত মধ্যস্থতাকারীদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। তারা যুদ্ধবিরতি আলোচনা এগিয়ে নিতে আগামী সোমবার দোহায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে।

অন্যদিকে, হামাসের একটি প্রতিনিধিদল কায়রোতে মিশরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। তারা আশা করছে, কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সহজ করার মাধ্যমে চুক্তির পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে, যা গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সহায়ক হতে পারে।

হামাসের মুখপাত্র আবদেল-লতিফ আল-কানৌয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি এবং গাজায় সহায়তা বাড়ানো ও অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জনগণের অধিকার রক্ষায় এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে এই আলোচনার প্রয়োজন।’

তবে, যুদ্ধবিরতি আলোচনা চললেও শনিবার (৮ মার্চ) দক্ষিণ গাজার রাফা এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যদিও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, যুদ্ধের অবসান এখনও অনিশ্চিত।

গত জানুয়ারিতে প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধবিরতিতে ইসরাইল ও হামাস সম্মত হয়েছিল, তবে পরবর্তী ধাপে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনও কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইল-হামাস সংঘাত: দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু

আপডেট সময় ০৮:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

 

ইসরাইল ও হামাস গাজায় পরবর্তী পর্যায়ের যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) উভয় পক্ষই এই প্রস্তুতির বিষয়টি ঘোষণা করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে রোববার (৯ মার্চ) এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য মধ্যস্থতাকারীরা চাপ প্রয়োগের পর ইসরাইল ও হামাস এই আলোচনা এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হামাস জানায়, তারা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুরুর জন্য ইতিবাচক নির্দেশনা পেয়েছে, তবে এর বাইরে আর কোনো বিস্তারিত জানায়নি।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইসরাইল মার্কিন সমর্থিত মধ্যস্থতাকারীদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। তারা যুদ্ধবিরতি আলোচনা এগিয়ে নিতে আগামী সোমবার দোহায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে।

অন্যদিকে, হামাসের একটি প্রতিনিধিদল কায়রোতে মিশরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। তারা আশা করছে, কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সহজ করার মাধ্যমে চুক্তির পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে, যা গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সহায়ক হতে পারে।

হামাসের মুখপাত্র আবদেল-লতিফ আল-কানৌয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি এবং গাজায় সহায়তা বাড়ানো ও অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জনগণের অধিকার রক্ষায় এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে এই আলোচনার প্রয়োজন।’

তবে, যুদ্ধবিরতি আলোচনা চললেও শনিবার (৮ মার্চ) দক্ষিণ গাজার রাফা এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যদিও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, যুদ্ধের অবসান এখনও অনিশ্চিত।

গত জানুয়ারিতে প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধবিরতিতে ইসরাইল ও হামাস সম্মত হয়েছিল, তবে পরবর্তী ধাপে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনও কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।