০২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
গাজায় শিশুরা

বাবা-মা হারানো শিশুদের সংখ্যা ৩৬ হাজার ছাড়াল, সম্পূর্ণ একা ২ হাজার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 112

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে প্রতিনিয়ত গভীর হচ্ছে স্বজন হারানোর বেদনা। অধিকাংশ পরিবার তছনছ হয়ে গেছে, আর বিপুল সংখ্যক শিশু হারিয়েছে তাদের নিরাপদ শৈশব। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৬ হাজার ৫৬৮ শিশু তাদের বাবা বা মা হারিয়েছে। এর মধ্যে বাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৯১৮ শিশু।

এই শিশুদের জীবন এখন শূন্যতা ও একাকিত্বে ভরা। তাদের মুখে ফুটে ওঠে ভয়, দুঃখ আর নিঃসঙ্গতার ছাপ। যারা একসময় মা-বাবার স্নেহে বেড়ে উঠছিল, আজ তাদের জীবনযুদ্ধে সঙ্গী কেবলই বেদনার স্মৃতি।

২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ শুধু তাদের শারীরিক ক্ষতিই করেনি, বরং মনোজগতে রেখে গেছে গভীর ক্ষত। গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা, একসময় যা ছিল তাদের আশা ও উন্নতির প্রতীক, এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের রিলিফ এজেন্সি (ইউএনআরডব্লিউএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শিশু এখন স্কুলে যেতে পারছে না। ইতিমধ্যে ১৪ হাজার ৫০০ শিশু হারিয়েছে তাদের প্রাণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় শিশুরা

বাবা-মা হারানো শিশুদের সংখ্যা ৩৬ হাজার ছাড়াল, সম্পূর্ণ একা ২ হাজার

আপডেট সময় ১২:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫

 

ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে প্রতিনিয়ত গভীর হচ্ছে স্বজন হারানোর বেদনা। অধিকাংশ পরিবার তছনছ হয়ে গেছে, আর বিপুল সংখ্যক শিশু হারিয়েছে তাদের নিরাপদ শৈশব। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৬ হাজার ৫৬৮ শিশু তাদের বাবা বা মা হারিয়েছে। এর মধ্যে বাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৯১৮ শিশু।

এই শিশুদের জীবন এখন শূন্যতা ও একাকিত্বে ভরা। তাদের মুখে ফুটে ওঠে ভয়, দুঃখ আর নিঃসঙ্গতার ছাপ। যারা একসময় মা-বাবার স্নেহে বেড়ে উঠছিল, আজ তাদের জীবনযুদ্ধে সঙ্গী কেবলই বেদনার স্মৃতি।

২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ শুধু তাদের শারীরিক ক্ষতিই করেনি, বরং মনোজগতে রেখে গেছে গভীর ক্ষত। গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা, একসময় যা ছিল তাদের আশা ও উন্নতির প্রতীক, এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের রিলিফ এজেন্সি (ইউএনআরডব্লিউএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শিশু এখন স্কুলে যেতে পারছে না। ইতিমধ্যে ১৪ হাজার ৫০০ শিশু হারিয়েছে তাদের প্রাণ।