ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানি গণমাধ্যমে নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার দাবি, নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 16

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন এমন দাবি করেছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নেতানিয়াহু নিহত হন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর, যিনি হামলায় আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ১৮৩ ফিলিস্তিনি বন্দি

তবে এই দাবির পক্ষে কোনো দৃঢ় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। প্রতিবেদনে মূলত মার্কিন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের উল্লেখ করা হয়েছে। ওই পোস্টে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নেতানিয়াহু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি করা হয়েছে, সেটি সত্যিই স্কট রিটার পরিচালনা করেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে হামলার কোনো ভিডিও, ছবি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি। বরং নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও বার্তার অনুপস্থিতি, তার বাসভবনের আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তার সম্ভাব্য সফর স্থগিত হওয়া এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে একটি কথিত ফোনালাপের উল্লেখসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিগত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার দাবি করেছিল। গত ২ মার্চ কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন। তবে পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ দাবিকে গুজব বলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানি গণমাধ্যমে নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার দাবি, নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি

আপডেট সময় ০৪:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

 

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন এমন দাবি করেছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নেতানিয়াহু নিহত হন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর, যিনি হামলায় আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  ইসরায়েল ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে নিয়েছে, ঘোষণা ট্রাম্পের

তবে এই দাবির পক্ষে কোনো দৃঢ় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। প্রতিবেদনে মূলত মার্কিন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের উল্লেখ করা হয়েছে। ওই পোস্টে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নেতানিয়াহু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি করা হয়েছে, সেটি সত্যিই স্কট রিটার পরিচালনা করেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে হামলার কোনো ভিডিও, ছবি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি। বরং নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও বার্তার অনুপস্থিতি, তার বাসভবনের আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তার সম্ভাব্য সফর স্থগিত হওয়া এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে একটি কথিত ফোনালাপের উল্লেখসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিগত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার দাবি করেছিল। গত ২ মার্চ কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন। তবে পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ দাবিকে গুজব বলে।