গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি
- আপডেট সময় ১২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 26
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনায় সমর্থন না দিলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর উচ্চহারে আমদানি শুল্ক বসানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য’ উল্লেখ করে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে ‘কঠিন পথ’ অবলম্বন করে হলেও গ্রিনল্যান্ড নিজের করে নিতে চায় ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের অবস্থানের বিরোধিতা করবে, তাদের ওপর আমি শুল্ক বসাতে পারি। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন।” তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক কার্যকর হতে পারে কিংবা কোনো সার্বভৌম দেশের ভূমি অধিগ্রহণের দাবিতে শুল্ক আরোপের আইনি এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের আছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
ট্রাম্পের এমন আগ্রাসী অবস্থানের মধ্যেই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সফর করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের ১১ সদস্যের একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের আইনপ্রণেতারা ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স-ফ্রেদেরিক নিলসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রতিনিধি দলের নেতা ডেমোক্র্যাট সেনেটর ক্রিস কুনস জানান, স্থানীয়দের দৃষ্টিভঙ্গি ওয়াশিংটনে পৌঁছে দিয়ে এই কূটনৈতিক উত্তেজনা প্রশমন করাই তাদের সফরের মূল উদ্দেশ্য। মূলত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এবং ভৌগোলিক দিক থেকে কৌশলগত অবস্থানে থাকা গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকায় এখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা এবং নৌযান চলাচলে নজরদারি করা সহজ। ট্রাম্পের দাবি, রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিজস্ব ভূখণ্ড’ করা প্রয়োজন। বর্তমানে দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ‘পিটুফিক’ ঘাঁটিতে কয়েকশ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে ডেনমার্ক শুরু থেকেই তাদের স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটি বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
ডেনিশ সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক বলপ্রয়োগের চেষ্টা করে, তবে তা ট্রান্স-আটলান্টিক সামরিক জোট ‘নেটো’র অবসান ঘটাতে পারে। নজিরবিহীন এই পরিস্থিতিতে ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় মিত্ররা। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে গ্রিনল্যান্ডে একটি ‘রেকি মিশন’ পাঠিয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ জানিয়েছেন, দ্বীপটির সুরক্ষায় স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে যেকোনো সহায়তা দিতে তারা প্রস্তুত।
প্যারাগুলোর মাঝে সাব-হেডিং না থাকায় এখন এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের মতো দেখাচ্ছে। আপনি কি এই সংবাদের জন্য কোনো ‘সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন’ বা ‘সংক্ষিপ্ত হাইলাইটস’ লিখে দিতে চান?



















