ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

স্পেন উপকূলে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজে পারমাণবিক সাবমেরিনের যন্ত্রাংশ ছিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 218

ছবি: সংগৃহীত

 

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাশিয়ান কার্গো জাহাজ উরসা মেজর (Ursa Major) স্পেনের উপকূলে বিস্ফোরণের পর ডুবে যায়। সেটি আসলে সাধারণ কোনো পণ্য নয়, বরং পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ গোপনে বহন করছিল।

জাহাজটিতে থাকা পণ্যগুলো ছিল VM-4SG মডেলের দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির উপাদান, যেগুলোর সম্ভাব্য গন্তব্য ছিল উত্তর কোরিয়া।

আরও পড়ুন  প্রথমবারের মত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়তে যাচ্ছে সার্বিয়া

অথচ রাশিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, জাহাজটি বরফ কাটা জাহাজের যন্ত্রাংশ বহন করছিল।

স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, আকাশ থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণে কার্গোর মধ্যে চুল্লি-সংক্রান্ত অংশের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা তাদের সন্দেহ আরও জোরালো করেছে।

এছাড়া উদ্ধারকাজ চলাকালে পরিস্থিতিকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে ইয়ানতার (Yantar) নামের একটি রুশ জাহাজের আগমন, যেটিকে রাশিয়ার গোয়েন্দা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত বলে মনে করা হয়।

স্পেনের ধারণা, সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ উদ্ধার বা ধ্বংস করতেই এই জাহাজ পাঠানো হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পেন উপকূলে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজে পারমাণবিক সাবমেরিনের যন্ত্রাংশ ছিল

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাশিয়ান কার্গো জাহাজ উরসা মেজর (Ursa Major) স্পেনের উপকূলে বিস্ফোরণের পর ডুবে যায়। সেটি আসলে সাধারণ কোনো পণ্য নয়, বরং পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ গোপনে বহন করছিল।

জাহাজটিতে থাকা পণ্যগুলো ছিল VM-4SG মডেলের দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির উপাদান, যেগুলোর সম্ভাব্য গন্তব্য ছিল উত্তর কোরিয়া।

আরও পড়ুন  বোনমাতির দারুণ কামব্যাক, ইউরো ফাইনালে স্পেন

অথচ রাশিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, জাহাজটি বরফ কাটা জাহাজের যন্ত্রাংশ বহন করছিল।

স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, আকাশ থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণে কার্গোর মধ্যে চুল্লি-সংক্রান্ত অংশের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা তাদের সন্দেহ আরও জোরালো করেছে।

এছাড়া উদ্ধারকাজ চলাকালে পরিস্থিতিকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে ইয়ানতার (Yantar) নামের একটি রুশ জাহাজের আগমন, যেটিকে রাশিয়ার গোয়েন্দা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত বলে মনে করা হয়।

স্পেনের ধারণা, সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ উদ্ধার বা ধ্বংস করতেই এই জাহাজ পাঠানো হতে পারে।