১১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

স্পেন উপকূলে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজে পারমাণবিক সাবমেরিনের যন্ত্রাংশ ছিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 97

ছবি: সংগৃহীত

 

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাশিয়ান কার্গো জাহাজ উরসা মেজর (Ursa Major) স্পেনের উপকূলে বিস্ফোরণের পর ডুবে যায়। সেটি আসলে সাধারণ কোনো পণ্য নয়, বরং পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ গোপনে বহন করছিল।

জাহাজটিতে থাকা পণ্যগুলো ছিল VM-4SG মডেলের দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির উপাদান, যেগুলোর সম্ভাব্য গন্তব্য ছিল উত্তর কোরিয়া।

বিজ্ঞাপন

অথচ রাশিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, জাহাজটি বরফ কাটা জাহাজের যন্ত্রাংশ বহন করছিল।

স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, আকাশ থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণে কার্গোর মধ্যে চুল্লি-সংক্রান্ত অংশের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা তাদের সন্দেহ আরও জোরালো করেছে।

এছাড়া উদ্ধারকাজ চলাকালে পরিস্থিতিকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে ইয়ানতার (Yantar) নামের একটি রুশ জাহাজের আগমন, যেটিকে রাশিয়ার গোয়েন্দা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত বলে মনে করা হয়।

স্পেনের ধারণা, সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ উদ্ধার বা ধ্বংস করতেই এই জাহাজ পাঠানো হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পেন উপকূলে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজে পারমাণবিক সাবমেরিনের যন্ত্রাংশ ছিল

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাশিয়ান কার্গো জাহাজ উরসা মেজর (Ursa Major) স্পেনের উপকূলে বিস্ফোরণের পর ডুবে যায়। সেটি আসলে সাধারণ কোনো পণ্য নয়, বরং পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ গোপনে বহন করছিল।

জাহাজটিতে থাকা পণ্যগুলো ছিল VM-4SG মডেলের দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন চুল্লির উপাদান, যেগুলোর সম্ভাব্য গন্তব্য ছিল উত্তর কোরিয়া।

বিজ্ঞাপন

অথচ রাশিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, জাহাজটি বরফ কাটা জাহাজের যন্ত্রাংশ বহন করছিল।

স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, আকাশ থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণে কার্গোর মধ্যে চুল্লি-সংক্রান্ত অংশের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা তাদের সন্দেহ আরও জোরালো করেছে।

এছাড়া উদ্ধারকাজ চলাকালে পরিস্থিতিকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে ইয়ানতার (Yantar) নামের একটি রুশ জাহাজের আগমন, যেটিকে রাশিয়ার গোয়েন্দা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত বলে মনে করা হয়।

স্পেনের ধারণা, সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ উদ্ধার বা ধ্বংস করতেই এই জাহাজ পাঠানো হতে পারে।