১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / 153

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (১৮ জুলাই) ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালতে এই মামলা করেন তিনি। মামলায় মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডককেও বিবাদী করা হয়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে ঘিরেই এ মামলা। সেখানে দাবি করা হয়, ট্রাম্প কুখ্যাত ধনকুবের ও নারী নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনকে একটি আপত্তিকর চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিটিতে একজন নগ্ন নারীর আঁকা ছবি ছিল বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। ২০০৩ সালে এপস্টেইনের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে পাঠানো বার্তাগুলোর মধ্যেই ট্রাম্পের সেই চিঠি ছিল বলে জানায় সংবাদমাধ্যমটি।

বিজ্ঞাপন

যদিও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল চিঠির কোনো ছবি প্রকাশ করেনি, তবুও এর বিষয়বস্তু নিয়ে ওয়াশিংটনে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্প বিষয়টি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক পোস্টে বলেন, “চিঠিটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং মানহানিকর।” ট্রাম্প আরও জানান, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এবং তিনি নিজে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে জানিয়েছেন, এ ধরনের চিঠির কোনো অস্তিত্ব নেই এবং সংবাদটি ভিত্তিহীন।

এদিকে, জেফরি এপস্টেইন ২০১৯ সালে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর নিউইয়র্কের এক কারাগারে আত্মহত্যা করেন। তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের পাচার এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে সরবরাহ করার মতো গুরুতর অভিযোগ ছিল। ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদকালেই এই ঘটনা ঘটে।

এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি বিষয় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বৃহস্পতিবার কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, এপস্টেইনের মামলার কেন্দ্রীয় এক কৌঁসুলিকে হঠাৎ বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই আইনজীবী হলেন সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির মেয়ে, যিনি ট্রাম্পের অন্যতম সমালোচক হিসেবে পরিচিত।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন ও এর জেরে দায়ের হওয়া এই মামলাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা

আপডেট সময় ১২:১০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (১৮ জুলাই) ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালতে এই মামলা করেন তিনি। মামলায় মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডককেও বিবাদী করা হয়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে ঘিরেই এ মামলা। সেখানে দাবি করা হয়, ট্রাম্প কুখ্যাত ধনকুবের ও নারী নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনকে একটি আপত্তিকর চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিটিতে একজন নগ্ন নারীর আঁকা ছবি ছিল বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। ২০০৩ সালে এপস্টেইনের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে পাঠানো বার্তাগুলোর মধ্যেই ট্রাম্পের সেই চিঠি ছিল বলে জানায় সংবাদমাধ্যমটি।

বিজ্ঞাপন

যদিও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল চিঠির কোনো ছবি প্রকাশ করেনি, তবুও এর বিষয়বস্তু নিয়ে ওয়াশিংটনে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্প বিষয়টি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক পোস্টে বলেন, “চিঠিটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং মানহানিকর।” ট্রাম্প আরও জানান, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এবং তিনি নিজে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে জানিয়েছেন, এ ধরনের চিঠির কোনো অস্তিত্ব নেই এবং সংবাদটি ভিত্তিহীন।

এদিকে, জেফরি এপস্টেইন ২০১৯ সালে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর নিউইয়র্কের এক কারাগারে আত্মহত্যা করেন। তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের পাচার এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে সরবরাহ করার মতো গুরুতর অভিযোগ ছিল। ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদকালেই এই ঘটনা ঘটে।

এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি বিষয় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বৃহস্পতিবার কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, এপস্টেইনের মামলার কেন্দ্রীয় এক কৌঁসুলিকে হঠাৎ বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই আইনজীবী হলেন সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির মেয়ে, যিনি ট্রাম্পের অন্যতম সমালোচক হিসেবে পরিচিত।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন ও এর জেরে দায়ের হওয়া এই মামলাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।