০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাসহ নিহত ৭৮ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 133

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭৮ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৩২০ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারাও।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইসরায়েল একযোগে হামলা চালায় ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি সাঈদ ইরাওয়ানি। সংবাদমাধ্যম ইরনা এ খবর নিশ্চিত করেছে।

ইসরায়েলের এই হামলা ছিল নজিরবিহীন। শুধুমাত্র সামরিক ঘাঁটি নয়, আবাসিক এলাকাও টার্গেটে ছিল। ফলে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। এ ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল ও সহিংস হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়ে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব। হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি এবং ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি নিহত হন।

এই ঘটনার পরপরই ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী নতুন সামরিক নেতৃত্ব নিয়োগ দেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিবর্তন ইসরায়েলের পরবর্তী হামলা প্রতিহত এবং প্রতিশোধ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ।

ইরান এ হামলার পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শুক্রবারই পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে। উভয় পক্ষের এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সরাসরি আক্রমণ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইসরায়েল এখনও হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না দিলেও, এই অভিযানের পেছনে তাদের জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে বিভিন্ন সূত্রে।

এই হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন ইরান-ইসরায়েল সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের দিকে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাসহ নিহত ৭৮ জন

আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

 

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭৮ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৩২০ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারাও।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইসরায়েল একযোগে হামলা চালায় ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি সাঈদ ইরাওয়ানি। সংবাদমাধ্যম ইরনা এ খবর নিশ্চিত করেছে।

ইসরায়েলের এই হামলা ছিল নজিরবিহীন। শুধুমাত্র সামরিক ঘাঁটি নয়, আবাসিক এলাকাও টার্গেটে ছিল। ফলে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। এ ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল ও সহিংস হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়ে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব। হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি এবং ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি নিহত হন।

এই ঘটনার পরপরই ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী নতুন সামরিক নেতৃত্ব নিয়োগ দেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিবর্তন ইসরায়েলের পরবর্তী হামলা প্রতিহত এবং প্রতিশোধ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ।

ইরান এ হামলার পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শুক্রবারই পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে। উভয় পক্ষের এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সরাসরি আক্রমণ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইসরায়েল এখনও হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না দিলেও, এই অভিযানের পেছনে তাদের জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে বিভিন্ন সূত্রে।

এই হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন ইরান-ইসরায়েল সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের দিকে।