ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আমেরিকানরা যেখানেই থাকুক, আঘাত হানব’: হুঁশিয়ারি ইরান মুখপাত্রের ইব্রাহিম খুলনায় ছিনতাইকালে ‘মিসফায়ার’: সহযোগীর গুলিতেই প্রাণ গেল ছিনতাইকারীর ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদি আরবের আহ্বান কঠিন বিষয় এড়িয়ে নয়, ঢাকা-দিল্লির খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন: হাইকমিশনার শেরপুরে আবাসিক এলাকায় তেলের ট্যাংক বানিয়ে ব্যবসা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের হানা চিতলমারীতে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, যুবক নিহত, ১২ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ঈদের ছুটিতেও স্বস্তি নেই শিশু হাসপাতালে, হামের প্রাদুর্ভাবে উপচে পড়া ভিড় পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় জড়িত দুই ‘শুটার’ গ্রেফতার, বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার বড়াইগ্রামে ট্রাক-প্রাইভেট কার মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালক নিহত, আহত ২ ভিয়েতনামকে হারিয়ে স্বর্ণ জিতল বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে আগ্রহী এয়ারবাস ও মেনজিস এভিয়েশন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 164

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিমানসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন।

মঙ্গলবার (১০ জুন) লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ভাউটার ভ্যান ভার্স এবং মেনজিস এভিয়েশনের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস ওয়াইলি। বৈঠকে তারা বাংলাদেশের বিমান খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের জন্য পিআর পদ্ধতির নির্বাচন প্রযোজ্য নয়: সালাহউদ্দিন আহমদ

ভাউটার ভ্যান বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। আমরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চাই এবং প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি আরও জানান, এয়ারবাস প্রতি বছর ৮০০টিরও বেশি বিমান সরবরাহ করে এবং তাদের দক্ষতা রয়েছে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান তৈরিতে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ বিমান বহর আধুনিকায়নে আগ্রহী। আমরা আপনাদের প্রস্তাব শুনতে আগ্রহী, তবে দ্রুত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। আমাদের নতুনভাবে সব কিছু পর্যালোচনা করতে হবে এবং সুচিন্তিতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

এয়ারবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যদি বাংলাদেশ এয়ারবাস সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে মোট ব্যয়ের ৮৫ শতাংশ অর্থায়ন এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব।

অন্যদিকে, মেনজিস এভিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস ওয়াইলি জানান, তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এবং এয়ার কার্গো সেবায় অংশ নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে বিশ্বের ৬৫টি দেশে ৩০০টির বেশি বিমানবন্দরে এ ধরনের সেবা দিয়ে আসছি।”

ওয়াইলি আরও জানান, “যদি আমাদের এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়, তাহলে ঢাকাকে আমরা একটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ হাব হিসেবে গড়ে তুলব, যেখানে আমাদের ৬৫,০০০ কর্মীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা একটি অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও জাতীয় বিমান সংস্থার উন্নয়নে সহায়তা করতে আমরা আগ্রহী।”

সূত্র: বাসস।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে আগ্রহী এয়ারবাস ও মেনজিস এভিয়েশন

আপডেট সময় ১১:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিমানসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন।

মঙ্গলবার (১০ জুন) লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ভাউটার ভ্যান ভার্স এবং মেনজিস এভিয়েশনের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস ওয়াইলি। বৈঠকে তারা বাংলাদেশের বিমান খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  টিকার অভাবে বিপন্ন শিশু: ১৬% এখনও বঞ্চিত

ভাউটার ভ্যান বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। আমরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চাই এবং প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি আরও জানান, এয়ারবাস প্রতি বছর ৮০০টিরও বেশি বিমান সরবরাহ করে এবং তাদের দক্ষতা রয়েছে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান তৈরিতে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ বিমান বহর আধুনিকায়নে আগ্রহী। আমরা আপনাদের প্রস্তাব শুনতে আগ্রহী, তবে দ্রুত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। আমাদের নতুনভাবে সব কিছু পর্যালোচনা করতে হবে এবং সুচিন্তিতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

এয়ারবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যদি বাংলাদেশ এয়ারবাস সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে মোট ব্যয়ের ৮৫ শতাংশ অর্থায়ন এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব।

অন্যদিকে, মেনজিস এভিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস ওয়াইলি জানান, তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এবং এয়ার কার্গো সেবায় অংশ নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে বিশ্বের ৬৫টি দেশে ৩০০টির বেশি বিমানবন্দরে এ ধরনের সেবা দিয়ে আসছি।”

ওয়াইলি আরও জানান, “যদি আমাদের এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়, তাহলে ঢাকাকে আমরা একটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ হাব হিসেবে গড়ে তুলব, যেখানে আমাদের ৬৫,০০০ কর্মীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা একটি অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও জাতীয় বিমান সংস্থার উন্নয়নে সহায়তা করতে আমরা আগ্রহী।”

সূত্র: বাসস।