ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

করাচি বন্দরে পৌঁছাল তুরস্কের যুদ্ধজাহাজ TCG Büyükada: সামরিক সহযোগিতায় নতুন মাত্রা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 127

ছবি সংগৃহীত

 

আজ সকালে করাচি বন্দরে ভিড়েছে তুরস্কের নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ TCG Büyükada। শুভেচ্ছা সফরের অংশ হিসেবে তুরস্কের এই করভেট শ্রেণির যুদ্ধজাহাজটির পাকিস্তান সফর দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী। এই সফর সেই সহযোগিতারই আরেকটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ। করাচি বন্দরে যুদ্ধজাহাজটির উপস্থিতি শুধু শুভেচ্ছা সফরের নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা দুই দেশের সামরিক জোটগত অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ রূপরেখার ইঙ্গিত বহন করে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধজাহাজ উদ্বোধনে বড় দুর্ঘটনা, ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বললেন কিম জং উন

TCG Büyükada, যা মিলজেম প্রকল্পের আওতায় তৈরি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি করভেট শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ। এটি বিশেষভাবে সাবমেরিন শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং ধ্বংস করার জন্য নির্মিত। জাহাজটি রাডার, সেন্সর এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন অস্ত্র ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সর্বশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার করে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, সফরকালীন সময়ে তুর্কি ও পাকিস্তানি নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা চর্চা এবং যৌথ মহড়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

এই সফরের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে কেবলমাত্র কূটনৈতিক নয়, সামরিক সম্পর্কও দিন দিন ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসলামাবাদ-আঙ্কারা সম্পর্ক শুধু অস্ত্র কেনাবেচার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে যৌথ উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছে।

তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ প্রশিক্ষণ ও সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা নিয়ে যে আন্তরিকতা রয়েছে, TCG Büyükada-এর সফর সেটিকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। এতে করে ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে নৌ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় এই দুই দেশের ভূমিকা আরও সুসংহত হবে বলেই বিশ্লেষকদের অভিমত।

এই সফরকে ঘিরে করাচি বন্দরে জাহাজ পরিদর্শনের জন্য একাধিক উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন, যা এই সফরের কূটনৈতিক গুরুত্বকেও প্রতিফলিত করে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

করাচি বন্দরে পৌঁছাল তুরস্কের যুদ্ধজাহাজ TCG Büyükada: সামরিক সহযোগিতায় নতুন মাত্রা

আপডেট সময় ১২:০৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

আজ সকালে করাচি বন্দরে ভিড়েছে তুরস্কের নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ TCG Büyükada। শুভেচ্ছা সফরের অংশ হিসেবে তুরস্কের এই করভেট শ্রেণির যুদ্ধজাহাজটির পাকিস্তান সফর দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী। এই সফর সেই সহযোগিতারই আরেকটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ। করাচি বন্দরে যুদ্ধজাহাজটির উপস্থিতি শুধু শুভেচ্ছা সফরের নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা দুই দেশের সামরিক জোটগত অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ রূপরেখার ইঙ্গিত বহন করে।

আরও পড়ুন  আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউতে যোগ দিতে করাচির পথে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ

TCG Büyükada, যা মিলজেম প্রকল্পের আওতায় তৈরি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি করভেট শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ। এটি বিশেষভাবে সাবমেরিন শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং ধ্বংস করার জন্য নির্মিত। জাহাজটি রাডার, সেন্সর এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন অস্ত্র ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সর্বশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার করে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, সফরকালীন সময়ে তুর্কি ও পাকিস্তানি নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা চর্চা এবং যৌথ মহড়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

এই সফরের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে কেবলমাত্র কূটনৈতিক নয়, সামরিক সম্পর্কও দিন দিন ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসলামাবাদ-আঙ্কারা সম্পর্ক শুধু অস্ত্র কেনাবেচার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে যৌথ উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছে।

তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ প্রশিক্ষণ ও সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা নিয়ে যে আন্তরিকতা রয়েছে, TCG Büyükada-এর সফর সেটিকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। এতে করে ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে নৌ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় এই দুই দেশের ভূমিকা আরও সুসংহত হবে বলেই বিশ্লেষকদের অভিমত।

এই সফরকে ঘিরে করাচি বন্দরে জাহাজ পরিদর্শনের জন্য একাধিক উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন, যা এই সফরের কূটনৈতিক গুরুত্বকেও প্রতিফলিত করে।