ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকা ও গাজীপুরসহ আরও ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্স অফিসে ঝড় তুলছে ‘ধুরন্ধর টু’, পেছনে ফেলল ‘কেজিএফ’ ইতিহাস বিকৃতি রুখতে কঠোর অবস্থানে বিএনপি: জাতীয় প্রেসক্লাবে তথ্যমন্ত্রী বিশ্বকাপের আগে মেসির অবসর গুঞ্জন তুঙ্গে, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এই মহাতারকা গাবতলীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ হারাল মাদ্রাসা শিক্ষার্থী,পলাতক চালক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় অভিযান: ৯ লাখ টাকা জরিমানা ও তিনজনের কারাদণ্ড আইইএলটিএস ছাড়াই বেলজিয়ামে স্কলারশিপ: উচ্চশিক্ষায় নতুন সুযোগ হাতিরপুলের খাবার দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিটের চেষ্টায় রক্ষা যুদ্ধ বিরতিতে কঠোর শর্ত ইরানের, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ছাড়া কোনো আপস নয়

শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা চীনা-ভারতীয় শিক্ষার্থীদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 200

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসা বাতিলের ঘটনায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিন ভারতীয় এবং দুই চীনা শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগসহ অভিবাসন দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আসামি করা হয়েছে।

এই মামলা করেছে মানবাধিকার সংগঠন আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ)। নিউ হ্যাম্পশায়ারের একটি ফেডারেল কোর্টে মামলা দায়ের করে তারা অভিযোগ করেছে, ট্রাম্প প্রশাসন একতরফাভাবে শত শত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর বৈধ এফ-১ ভিসা স্ট্যাটাস বাতিল করেছে।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ডা. জুবাইদা রহমান

ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু ভিসা বাতিল কিংবা দেশে ফেরত পাঠানোর শঙ্কায় নন, বরং তাদের পড়াশোনা ও আর্থিক ভবিষ্যতও হুমকির মুখে পড়েছে। আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছেন, সরকার কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা বা নোটিশ ছাড়াই তাদের আইনি অবস্থান বাতিল করেছে।

মামলায় নাম রয়েছে চীনা নাগরিক হাংরুই ঝাং ও হাওয়াং আন এবং ভারতীয় নাগরিক লিংকিত বাবু গোরেলা, থানুজ কুমার গুম্মাডাভেলি এবং মানিকান্ত পাসুলার। হাংরুইয়ের ভিসা বাতিলের কারণে তার গবেষণা সহকারী পদ বাতিল হয়ে গেছে। হাওয়াং ইতোমধ্যে প্রায় সোয়া তিন লাখ ডলার খরচ করেছেন পড়াশোনার পেছনে, কিন্তু এখন তাকে ডিগ্রি ছেড়ে দেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

গোরেলার ডিগ্রি শেষ হওয়ার কথা আগামী ২০ মে। তবে বৈধ ভিসা ছাড়া তিনি তা সম্পন্ন করতে পারবেন না এবং কোনো প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারবেন না। অপরদিকে, গুম্মাডাভেলি ও পাসুলার এখনও একটি সেমিস্টার বাকি রয়েছে ডিগ্রি অর্জনের জন্য।

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতির কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক সংগঠনগুলোর মধ্যেও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।

বর্তমানে মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সম্প্রদায় হলো চীন ও ভারতের। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার আকর্ষণ ও বৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা চীনা-ভারতীয় শিক্ষার্থীদের

আপডেট সময় ০১:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসা বাতিলের ঘটনায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিন ভারতীয় এবং দুই চীনা শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগসহ অভিবাসন দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আসামি করা হয়েছে।

এই মামলা করেছে মানবাধিকার সংগঠন আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ)। নিউ হ্যাম্পশায়ারের একটি ফেডারেল কোর্টে মামলা দায়ের করে তারা অভিযোগ করেছে, ট্রাম্প প্রশাসন একতরফাভাবে শত শত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর বৈধ এফ-১ ভিসা স্ট্যাটাস বাতিল করেছে।

আরও পড়ুন  ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্ক টাইমস–এর বিরুদ্ধে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মামলা করলেন

ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু ভিসা বাতিল কিংবা দেশে ফেরত পাঠানোর শঙ্কায় নন, বরং তাদের পড়াশোনা ও আর্থিক ভবিষ্যতও হুমকির মুখে পড়েছে। আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছেন, সরকার কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা বা নোটিশ ছাড়াই তাদের আইনি অবস্থান বাতিল করেছে।

মামলায় নাম রয়েছে চীনা নাগরিক হাংরুই ঝাং ও হাওয়াং আন এবং ভারতীয় নাগরিক লিংকিত বাবু গোরেলা, থানুজ কুমার গুম্মাডাভেলি এবং মানিকান্ত পাসুলার। হাংরুইয়ের ভিসা বাতিলের কারণে তার গবেষণা সহকারী পদ বাতিল হয়ে গেছে। হাওয়াং ইতোমধ্যে প্রায় সোয়া তিন লাখ ডলার খরচ করেছেন পড়াশোনার পেছনে, কিন্তু এখন তাকে ডিগ্রি ছেড়ে দেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

গোরেলার ডিগ্রি শেষ হওয়ার কথা আগামী ২০ মে। তবে বৈধ ভিসা ছাড়া তিনি তা সম্পন্ন করতে পারবেন না এবং কোনো প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারবেন না। অপরদিকে, গুম্মাডাভেলি ও পাসুলার এখনও একটি সেমিস্টার বাকি রয়েছে ডিগ্রি অর্জনের জন্য।

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতির কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক সংগঠনগুলোর মধ্যেও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।

বর্তমানে মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সম্প্রদায় হলো চীন ও ভারতের। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার আকর্ষণ ও বৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।