ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ক্রিমিয়ায় রুশ নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 144

ছবি সংগৃহীত

 

 

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থামাতে নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা সম্প্রতি সিএনএনকে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাবনায় রাশিয়ার অবস্থানকে কিছুটা স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যের ছয় দেশে ইরানের হামলা

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার প্যারিসে ইউরোপীয় এবং ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই প্রস্তাবের খসড়া তুলে ধরেছে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব এলাকা বর্তমানে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেগুলো ধরে নিয়েই যুদ্ধবিরতির একটি কাঠামো তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে তা রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করে মস্কো। এরপর থেকেই অঞ্চলটি রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইউক্রেন এটি কখনোই বৈধভাবে মেনে নেয়নি।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের পর যুদ্ধ ভয়াবহ রূপ নেয়। একই সঙ্গে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে মস্কো। আন্তর্জাতিকভাবে এসব সংযুক্তি এখনো স্বীকৃত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাবে ক্রিমিয়া নিয়ে নমনীয় অবস্থানের খবর প্রকাশের পর ইউক্রেন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সিএনএন সূত্র জানায়, এই প্রস্তাব নিয়ে এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার এই উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়েই দেখা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রস্তাব ইউক্রেনের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। কারণ, এটি রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। তবে দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধের অবসানে যদি কোনো স্থায়ী সমাধানের পথ খোলা যায়, তবে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য বড় একটি মোড় হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ক্রিমিয়ায় রুশ নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থামাতে নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা সম্প্রতি সিএনএনকে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাবনায় রাশিয়ার অবস্থানকে কিছুটা স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত।

আরও পড়ুন  মার্কিন সহায়তা ছাড়া ছয় মাসের বেশি টিকতে পারবে না ইউক্রেন

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার প্যারিসে ইউরোপীয় এবং ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই প্রস্তাবের খসড়া তুলে ধরেছে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব এলাকা বর্তমানে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেগুলো ধরে নিয়েই যুদ্ধবিরতির একটি কাঠামো তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে তা রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করে মস্কো। এরপর থেকেই অঞ্চলটি রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইউক্রেন এটি কখনোই বৈধভাবে মেনে নেয়নি।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের পর যুদ্ধ ভয়াবহ রূপ নেয়। একই সঙ্গে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে মস্কো। আন্তর্জাতিকভাবে এসব সংযুক্তি এখনো স্বীকৃত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাবে ক্রিমিয়া নিয়ে নমনীয় অবস্থানের খবর প্রকাশের পর ইউক্রেন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সিএনএন সূত্র জানায়, এই প্রস্তাব নিয়ে এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার এই উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়েই দেখা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রস্তাব ইউক্রেনের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। কারণ, এটি রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। তবে দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধের অবসানে যদি কোনো স্থায়ী সমাধানের পথ খোলা যায়, তবে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য বড় একটি মোড় হয়ে উঠতে পারে।