ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

মাদারীপুরে শ্রমিক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের জেরে রণক্ষেত্র,শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 199

ছবি : সংগৃহীত

 

মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিক দল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন  ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ও যানজট সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনী ও ডিএনসিসির যৌথ উদ্যোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের আসামি আক্তার হাওলাদারের সমর্থকদের সঙ্গে মামলার বাদী হাসান মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোররাতে আক্তার হাওলাদারের সমর্থকরা শ্রমিক দল নেতা হান্নান ঢালীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুইপক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার এবং একের পর এক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযানকালে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাদী ও আসামিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নতুন মাদারীপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’

মাদারিপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্য়ন্ত কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদারীপুরে শ্রমিক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের জেরে রণক্ষেত্র,শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

আপডেট সময় ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিক দল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন  ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ও যানজট সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনী ও ডিএনসিসির যৌথ উদ্যোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের আসামি আক্তার হাওলাদারের সমর্থকদের সঙ্গে মামলার বাদী হাসান মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোররাতে আক্তার হাওলাদারের সমর্থকরা শ্রমিক দল নেতা হান্নান ঢালীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুইপক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার এবং একের পর এক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযানকালে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাদী ও আসামিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নতুন মাদারীপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’

মাদারিপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্য়ন্ত কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।