ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে শেয়ার বিক্রির নিয়ম শিথিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 14

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে সোমবার একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে এক কোটি টাকা পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে আর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া শেয়ার বিক্রি করে পাওয়া সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই বিদেশে নিয়ে যেতে পারবেন।

তবে এ ক্ষেত্রে সম্পদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন থাকতে হবে। এই সুবিধা কেবল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়—এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

এর আগে অনুমতি ছাড়া সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা বিদেশে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সীমা বাড়িয়ে ১০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তখনই তৈরি হয়, যখন বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের প্রতিটি ধাপে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগোতে পারেন।

তার ভাষায়, অনুমোদনের জটিলতা কমানো, বিক্রয়লব্ধ অর্থ সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা, মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং বিনিয়োগ থেকে বের হওয়ার ধাপগুলো সরল করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছে।

নতুন সার্কুলারে শেয়ার মূল্য নির্ধারণে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর ভিত্তিতে নিট সম্পদমূল্য (এনএভি), বাজারমূল্য বা ডিসকাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো (ডিসিএফ) পদ্ধতি বহাল রাখা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র ঠিক থাকলে ব্যাংকগুলো ৪৫ দিনের মধ্যে শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। আর শেয়ার বিক্রির অর্থ পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগকারী বিদেশে নিয়ে যেতে পারবেন।

এছাড়া সব ধরনের লেনদেনের তথ্য প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে শেয়ার বিক্রির নিয়ম শিথিল

আপডেট সময় ১২:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

 

বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে সোমবার একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে এক কোটি টাকা পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে আর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া শেয়ার বিক্রি করে পাওয়া সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই বিদেশে নিয়ে যেতে পারবেন।

তবে এ ক্ষেত্রে সম্পদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন থাকতে হবে। এই সুবিধা কেবল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়—এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

এর আগে অনুমতি ছাড়া সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা বিদেশে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সীমা বাড়িয়ে ১০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তখনই তৈরি হয়, যখন বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের প্রতিটি ধাপে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগোতে পারেন।

তার ভাষায়, অনুমোদনের জটিলতা কমানো, বিক্রয়লব্ধ অর্থ সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা, মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং বিনিয়োগ থেকে বের হওয়ার ধাপগুলো সরল করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছে।

নতুন সার্কুলারে শেয়ার মূল্য নির্ধারণে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর ভিত্তিতে নিট সম্পদমূল্য (এনএভি), বাজারমূল্য বা ডিসকাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো (ডিসিএফ) পদ্ধতি বহাল রাখা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র ঠিক থাকলে ব্যাংকগুলো ৪৫ দিনের মধ্যে শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। আর শেয়ার বিক্রির অর্থ পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগকারী বিদেশে নিয়ে যেতে পারবেন।

এছাড়া সব ধরনের লেনদেনের তথ্য প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে।