০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

দূষণ রোধ ও গ্যাস সরবরাহে ৬৪ কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 122

ছবি সংগৃহীত

 

দূষণ রোধ এবং গ্যাস সরবরাহ উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৬৪ কোটি ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বাজারদরে টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অর্থ দুইটি আলাদা প্রকল্পে ব্যয় হবে—এর মধ্যে জ্বালানি খাত নিরাপত্তা জোরদারে ৩৫ কোটি ডলার এবং বায়ুমান উন্নয়নে ২৯ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, “বাংলাদেশের জন্য জ্বালানিনিরাপত্তা ও বায়ুমান উন্নয়ন এখন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অগ্রাধিকার। শহরাঞ্চলে বায়ুদূষণ এবং গ্যাস সরবরাহ সংকট চিহ্নিত করে এর সমাধানে এ দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এসব প্রকল্প দেশের উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান এবং সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জ্বালানি খাত নিরাপত্তা জোরদার প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে পেট্রোবাংলা। প্রকল্পটির আওতায় এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি ও বিতরণ সহজতর করা হবে, যার মাধ্যমে দেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে।

অন্যদিকে, বায়ুমান উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য শহরাঞ্চলের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৯ সালে বায়ুদূষণের কারণে দেশে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার মানুষের। শুধু স্বাস্থ্য খাতে এ দূষণের অর্থনৈতিক ক্ষতি দেশের মোট জিডিপির ৮ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সংস্থাটি বাংলাদেশকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান ও ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের এই নতুন অর্থায়ন দেশের জ্বালানি ও পরিবেশ খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দূষণ রোধ ও গ্যাস সরবরাহে ৬৪ কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০৩:০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

দূষণ রোধ এবং গ্যাস সরবরাহ উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৬৪ কোটি ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বাজারদরে টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অর্থ দুইটি আলাদা প্রকল্পে ব্যয় হবে—এর মধ্যে জ্বালানি খাত নিরাপত্তা জোরদারে ৩৫ কোটি ডলার এবং বায়ুমান উন্নয়নে ২৯ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, “বাংলাদেশের জন্য জ্বালানিনিরাপত্তা ও বায়ুমান উন্নয়ন এখন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অগ্রাধিকার। শহরাঞ্চলে বায়ুদূষণ এবং গ্যাস সরবরাহ সংকট চিহ্নিত করে এর সমাধানে এ দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এসব প্রকল্প দেশের উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান এবং সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জ্বালানি খাত নিরাপত্তা জোরদার প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে পেট্রোবাংলা। প্রকল্পটির আওতায় এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি ও বিতরণ সহজতর করা হবে, যার মাধ্যমে দেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে।

অন্যদিকে, বায়ুমান উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য শহরাঞ্চলের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৯ সালে বায়ুদূষণের কারণে দেশে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার মানুষের। শুধু স্বাস্থ্য খাতে এ দূষণের অর্থনৈতিক ক্ষতি দেশের মোট জিডিপির ৮ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সংস্থাটি বাংলাদেশকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান ও ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের এই নতুন অর্থায়ন দেশের জ্বালানি ও পরিবেশ খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।