ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 211

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে সরকারি খাতের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৫ কোটি ডলার) ঋণ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার (১৪ জুন) সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (সিটার)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড। প্রকল্পটি সরকারের চলমান সংস্কার কর্মসূচিকে সহায়তা করবে, বিশেষ করে পরিসংখ্যান, রাজস্ব আহরণ, সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং আর্থিক তদারকির খাতগুলোতে।

আরও পড়ুন  সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর মৃত্যু

প্রকল্পটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পরিকল্পনা বিভাগ, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এবং মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়সহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, “এই বিনিয়োগ সরকারের ডিজিটাল রূপান্তরকে উৎসাহিত করবে, যা স্বচ্ছতা বাড়াবে, দুর্নীতির ঝুঁকি কমাবে এবং সরকারি পরিষেবার মান ও জনগণের প্রবেশাধিকার উন্নত করবে।”

তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা আরও সুসংহত হবে।

সিটার প্রকল্পের আওতায় ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, স্বতঃস্ফূর্ত ট্যাক্স আদায়ে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয় বাড়িয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রোকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেমের দ্বিতীয় প্রজন্ম চালু, সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অডিট ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরও প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে আরও একটি উন্নয়ন নীতিভিত্তিক ঋণ (ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট) প্রস্তুত করছে, যা এ মাসের শেষ দিকে বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হবে। এটি স্বচ্ছতা, রাজস্ব, ব্যাংক খাত, তথ্য ব্যবস্থাপনা, সরকারি বিনিয়োগ ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। সিটার প্রকল্প এই বৃহৎ উদ্যোগের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও প্রকল্পটির টিম লিডার সুলেমান কুলিবালি বলেন, “এই প্রকল্প সরকারের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

 

বাংলাদেশে সরকারি খাতের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৫ কোটি ডলার) ঋণ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার (১৪ জুন) সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (সিটার)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড। প্রকল্পটি সরকারের চলমান সংস্কার কর্মসূচিকে সহায়তা করবে, বিশেষ করে পরিসংখ্যান, রাজস্ব আহরণ, সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং আর্থিক তদারকির খাতগুলোতে।

আরও পড়ুন  পরিবেশবান্ধব কারখানায় বিশ্বসেরা স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ

প্রকল্পটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পরিকল্পনা বিভাগ, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এবং মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়সহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, “এই বিনিয়োগ সরকারের ডিজিটাল রূপান্তরকে উৎসাহিত করবে, যা স্বচ্ছতা বাড়াবে, দুর্নীতির ঝুঁকি কমাবে এবং সরকারি পরিষেবার মান ও জনগণের প্রবেশাধিকার উন্নত করবে।”

তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা আরও সুসংহত হবে।

সিটার প্রকল্পের আওতায় ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, স্বতঃস্ফূর্ত ট্যাক্স আদায়ে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয় বাড়িয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রোকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেমের দ্বিতীয় প্রজন্ম চালু, সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অডিট ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরও প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে আরও একটি উন্নয়ন নীতিভিত্তিক ঋণ (ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট) প্রস্তুত করছে, যা এ মাসের শেষ দিকে বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হবে। এটি স্বচ্ছতা, রাজস্ব, ব্যাংক খাত, তথ্য ব্যবস্থাপনা, সরকারি বিনিয়োগ ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। সিটার প্রকল্প এই বৃহৎ উদ্যোগের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও প্রকল্পটির টিম লিডার সুলেমান কুলিবালি বলেন, “এই প্রকল্প সরকারের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।”