ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীর্ষে সৌদি আরব, রেকর্ড রেমিট্যান্সে চাঙা দেশের অর্থনীতি

রেকর্ডরেমিট্যান্স, সৌদিআরব, অর্থনীতি, বিদেশীমুদ্রা
  • আপডেট সময় ০৭:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 340

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৪ কোটি মার্কিন ডলার যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি।

এই দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছেন সৌদি আরবপ্রবাসীরা। বিগত কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানো হলেও রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক থেকে পিছিয়ে ছিল সৌদি আরব। তবে সরকারের পরিবর্তনের পর থেকে এই চিত্র বদলে গেছে। এপ্রিল মাসে পুনরায় রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে উঠে এসেছে দেশটি।

আরও পড়ুন  কুড়িগ্রামে তামাক চাষের ঊর্ধ্বগতি: স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বিপদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু এপ্রিল মাসেই দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকেই এসেছে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত যেখান থেকে এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ডলার।

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার প্রবাসীরা এপ্রিল মাসে দেশে পাঠিয়েছেন ৩৩ কোটি ডলার (১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ)। যুক্তরাজ্য ২৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়ে রয়েছে চতুর্থ স্থানে। আর পঞ্চম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া প্রবাসীরা সেখান থেকে পাঠিয়েছেন ২১ কোটি ৯ লাখ ডলার।

পর্যায়ক্রমে রেমিট্যান্স পাঠানো শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের সক্রিয় পদক্ষেপ এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর ওপর উৎসাহ প্রদান। সেই সঙ্গে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত নীতিমালাও এই সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রবাসীদের এ ধরনের রেমিট্যান্স পাঠানো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি অর্থবছর শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষে সৌদি আরব, রেকর্ড রেমিট্যান্সে চাঙা দেশের অর্থনীতি

আপডেট সময় ০৭:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

চলতি অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৪ কোটি মার্কিন ডলার যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি।

এই দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছেন সৌদি আরবপ্রবাসীরা। বিগত কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানো হলেও রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক থেকে পিছিয়ে ছিল সৌদি আরব। তবে সরকারের পরিবর্তনের পর থেকে এই চিত্র বদলে গেছে। এপ্রিল মাসে পুনরায় রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে উঠে এসেছে দেশটি।

আরও পড়ুন  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা নিয়ে সৌদির পূর্ণ সমর্থন আছে: সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু এপ্রিল মাসেই দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকেই এসেছে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত যেখান থেকে এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ডলার।

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার প্রবাসীরা এপ্রিল মাসে দেশে পাঠিয়েছেন ৩৩ কোটি ডলার (১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ)। যুক্তরাজ্য ২৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়ে রয়েছে চতুর্থ স্থানে। আর পঞ্চম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া প্রবাসীরা সেখান থেকে পাঠিয়েছেন ২১ কোটি ৯ লাখ ডলার।

পর্যায়ক্রমে রেমিট্যান্স পাঠানো শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের সক্রিয় পদক্ষেপ এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর ওপর উৎসাহ প্রদান। সেই সঙ্গে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত নীতিমালাও এই সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রবাসীদের এ ধরনের রেমিট্যান্স পাঠানো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি অর্থবছর শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।