ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 184

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর মুন্না হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-২ এর একটি দল রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জানা গেছে, ইসমাইল এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা কিশোর গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর।

র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ আগারগাঁও ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, “মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইসমাইল হোসেনকে হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।”

আরও পড়ুন  কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং লিডার অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মুন্না ছিলেন একজন সাধারণ পিঠা বিক্রেতা, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার পরিবারকে জীবনধারণের জন্য সহায়তা করতেন। কিন্তু এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা সহ তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুন্নার পেশাকে অপমানজনক মনে করে, এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা মুন্নাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে এবং গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে, ইসমাইল, এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানাসহ অন্যান্য আসামি মুন্নাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত মুন্নার বাবা, বাবুল হাওলাদার, মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এখনও পর্যন্ত ইসমাইলসহ অন্যান্য আসামিদের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর মুন্না হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-২ এর একটি দল রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জানা গেছে, ইসমাইল এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা কিশোর গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর।

র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ আগারগাঁও ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, “মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইসমাইল হোসেনকে হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।”

আরও পড়ুন  মাদকবিরোধী অভিযানে মানবতাবিরোধী অপরাধের সব দায় নিলেন দুতার্তে, আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মুন্না ছিলেন একজন সাধারণ পিঠা বিক্রেতা, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার পরিবারকে জীবনধারণের জন্য সহায়তা করতেন। কিন্তু এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা সহ তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুন্নার পেশাকে অপমানজনক মনে করে, এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা মুন্নাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে এবং গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে, ইসমাইল, এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানাসহ অন্যান্য আসামি মুন্নাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত মুন্নার বাবা, বাবুল হাওলাদার, মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এখনও পর্যন্ত ইসমাইলসহ অন্যান্য আসামিদের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।