ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামে অপহরণের দুই দিন পর শিশুকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 73

ছবি: সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় স্কুল থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণের দুই দিনের মাথায় সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)।

আরও পড়ুন  চীনা নৌবাহিনীর তিন জাহাজ শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রামে

পুলিশ জানায়, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) ২০ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ে যায়। ছুটির পর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ শুরু করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটির এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে তাসকিনকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে শিশুটিকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

পুলিশ জানায়, শুরুতে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য ছিল না। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযুক্তদের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে অপহৃত শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে অপহরণে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ফয়সাল ভুক্তভোগী শিশুর বাবার মামাতো ভাই। তিনি পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের অর্থ ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অপহরণের দুই দিন পর শিশুকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ০১:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় স্কুল থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণের দুই দিনের মাথায় সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)।

আরও পড়ুন  মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শুনানি আজ

পুলিশ জানায়, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) ২০ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ে যায়। ছুটির পর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ শুরু করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটির এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে তাসকিনকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে শিশুটিকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

পুলিশ জানায়, শুরুতে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য ছিল না। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযুক্তদের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে অপহৃত শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে অপহরণে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ফয়সাল ভুক্তভোগী শিশুর বাবার মামাতো ভাই। তিনি পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের অর্থ ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।