ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্য গ্রেফতার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 215

ছবি সংগৃহীত

 

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের বান্দরবান সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রিপন চাকমা, বীর কুমার ত্রিপুরা, ওয়াসি মারমা, অজিত চাকমা, সুখেন চাকমা এবং অনিয়ম চাকমা। তারা সবাই ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  বাঁশ কুড়াল খুজতে গিয়ে কিশোরী পা বিচ্ছিন্ন

সেনাবাহিনীর বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিলেন এই ছয়জন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের নীলাচল, বড়ুয়ার টেক ও মিলনছড়ি এলাকায় যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, “সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং চাঁদাবাজির মামলাও রুজু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ-এর নামে চাঁদা আদায় করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। অভিযানের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পাহাড়ি এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আভাস মিলেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:২৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের বান্দরবান সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রিপন চাকমা, বীর কুমার ত্রিপুরা, ওয়াসি মারমা, অজিত চাকমা, সুখেন চাকমা এবং অনিয়ম চাকমা। তারা সবাই ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  চাঁদাবাজদের ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সেনাবাহিনীর বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিলেন এই ছয়জন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের নীলাচল, বড়ুয়ার টেক ও মিলনছড়ি এলাকায় যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, “সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং চাঁদাবাজির মামলাও রুজু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ-এর নামে চাঁদা আদায় করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। অভিযানের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পাহাড়ি এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আভাস মিলেছে।