১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ফিজি: প্রশান্ত মহাসাগরের হারানো রত্ন ‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত

চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সচিবালয় কর্মচারীদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 129

ছবি সংগৃহীত

 

চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। আগামী শনিবারের মধ্যে দাবি মানা না হলে দেশজুড়ে আরও বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সচিবালয়ের চার নম্বর ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন শত শত কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সকাল ১১টার দিকে সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন থেকে মিছিল নিয়ে জড়ো হন তারা। সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, এই অধ্যাদেশ একটি ‘অবৈধ কালো আইন’ এবং তা কোনোক্রমেই মেনে নেওয়া হবে না।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা জানান, যতদিন না দাবি পূরণ হবে, ততদিন আন্দোলন চলবে। তারা বিভিন্ন স্লোগানে সচিবালয় প্রাঙ্গণ মুখর করে তোলেন। ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে’, ‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’, ‘ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’—এমন সব স্লোগানে প্রতিবাদ জানান তারা।

সমাবেশে ফোরামের কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও বাদিউল কবীর ঘোষণা দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ বাতিল না হলে রোববার (২২ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে, ২৫ মে সন্ধ্যায় সরকার এই অধ্যাদেশটি জারি করে। শুরু থেকেই সচিবালয়ের কর্মচারীরা এটিকে ‘নিবর্তনমূলক ও কালো আইন’ আখ্যায়িত করে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, এই সংশোধনীতে তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং নিয়োগ ও চাকরি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। তাই অবিলম্বে অধ্যাদেশটি বাতিল না হলে পরবর্তী ধাপে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ঐক্য ফোরাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সচিবালয় কর্মচারীদের

আপডেট সময় ০৩:১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। আগামী শনিবারের মধ্যে দাবি মানা না হলে দেশজুড়ে আরও বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সচিবালয়ের চার নম্বর ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন শত শত কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সকাল ১১টার দিকে সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন থেকে মিছিল নিয়ে জড়ো হন তারা। সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, এই অধ্যাদেশ একটি ‘অবৈধ কালো আইন’ এবং তা কোনোক্রমেই মেনে নেওয়া হবে না।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা জানান, যতদিন না দাবি পূরণ হবে, ততদিন আন্দোলন চলবে। তারা বিভিন্ন স্লোগানে সচিবালয় প্রাঙ্গণ মুখর করে তোলেন। ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে’, ‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’, ‘ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’—এমন সব স্লোগানে প্রতিবাদ জানান তারা।

সমাবেশে ফোরামের কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও বাদিউল কবীর ঘোষণা দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ বাতিল না হলে রোববার (২২ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে, ২৫ মে সন্ধ্যায় সরকার এই অধ্যাদেশটি জারি করে। শুরু থেকেই সচিবালয়ের কর্মচারীরা এটিকে ‘নিবর্তনমূলক ও কালো আইন’ আখ্যায়িত করে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, এই সংশোধনীতে তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং নিয়োগ ও চাকরি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। তাই অবিলম্বে অধ্যাদেশটি বাতিল না হলে পরবর্তী ধাপে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ঐক্য ফোরাম।