ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

এশিয়ার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে যৌথ রোডম্যাপের আহ্বান ড. ইউনূসের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 586

ছবি: সংগৃহীত

 

চীনের হাইনানে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এক অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ), তিনি বলেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে একটি অভিন্ন ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  নির্বাচন সংস্কারে সুপারিশঃ আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন যারা

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের স্রোতে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়, এটি বাস্তবতা। আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যৌথ পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ কৌশলের উপর।”

বিশ্বায়নের এই সময়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, “এশিয়াকে এখনই একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা আমাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম। আমাদের এমন একটি তহবিল প্রয়োজন, যা শুধু উন্নয়ন প্রকল্পেই নয়, বরং সংকট মোকাবেলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গঠিত এমন একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে।

বোয়াও ফোরামটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও চিন্তাবিদদের একত্র করে আলোচনা ও দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

অধ্যাপক ইউনূসের এই আহ্বান কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এশিয়ার জন্য একটি মানবিক, সহযোগিতামূলক ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে যৌথ রোডম্যাপের আহ্বান ড. ইউনূসের

আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

চীনের হাইনানে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এক অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ), তিনি বলেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে একটি অভিন্ন ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  বৃষ্টি ও বন্যায় বিপর্যস্ত ইউরোপ-এশিয়া-আমেরিকা, পাকিস্তানে মৃত বেড়ে ১০৪

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের স্রোতে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়, এটি বাস্তবতা। আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যৌথ পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ কৌশলের উপর।”

বিশ্বায়নের এই সময়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, “এশিয়াকে এখনই একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা আমাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম। আমাদের এমন একটি তহবিল প্রয়োজন, যা শুধু উন্নয়ন প্রকল্পেই নয়, বরং সংকট মোকাবেলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গঠিত এমন একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে।

বোয়াও ফোরামটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও চিন্তাবিদদের একত্র করে আলোচনা ও দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

অধ্যাপক ইউনূসের এই আহ্বান কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এশিয়ার জন্য একটি মানবিক, সহযোগিতামূলক ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।