০১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

এশিয়ার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে যৌথ রোডম্যাপের আহ্বান ড. ইউনূসের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 166

ছবি: সংগৃহীত

 

চীনের হাইনানে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এক অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ), তিনি বলেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে একটি অভিন্ন ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের স্রোতে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়, এটি বাস্তবতা। আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যৌথ পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ কৌশলের উপর।”

বিশ্বায়নের এই সময়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, “এশিয়াকে এখনই একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা আমাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম। আমাদের এমন একটি তহবিল প্রয়োজন, যা শুধু উন্নয়ন প্রকল্পেই নয়, বরং সংকট মোকাবেলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গঠিত এমন একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে।

বোয়াও ফোরামটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও চিন্তাবিদদের একত্র করে আলোচনা ও দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

অধ্যাপক ইউনূসের এই আহ্বান কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এশিয়ার জন্য একটি মানবিক, সহযোগিতামূলক ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে যৌথ রোডম্যাপের আহ্বান ড. ইউনূসের

আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

চীনের হাইনানে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এক অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ), তিনি বলেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে একটি অভিন্ন ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের স্রোতে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়, এটি বাস্তবতা। আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যৌথ পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ কৌশলের উপর।”

বিশ্বায়নের এই সময়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, “এশিয়াকে এখনই একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা আমাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম। আমাদের এমন একটি তহবিল প্রয়োজন, যা শুধু উন্নয়ন প্রকল্পেই নয়, বরং সংকট মোকাবেলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গঠিত এমন একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে।

বোয়াও ফোরামটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও চিন্তাবিদদের একত্র করে আলোচনা ও দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

অধ্যাপক ইউনূসের এই আহ্বান কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এশিয়ার জন্য একটি মানবিক, সহযোগিতামূলক ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।