ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

করদাতা বাড়ছে, রাজস্ব বাড়ছে না, ১০ লাখ ই-রিটার্ন দাখিল করলেও করযোগ্য আয় নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 358

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, ই-রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা বাড়লেও রাজস্ব আয় বাড়ছে না। কারণ, অধিকাংশ করদাতার আয় করযোগ্য সীমার নিচে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে দাখিলকৃত ১৫ লাখ ই-রিটার্নের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ করদাতারই করযোগ্য আয় নেই। তারা হয়তো শূন্য রিটার্ন জমা দিয়েছেন, অথবা তাদের আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার করমুক্ত সীমার নিচে।

আরও পড়ুন  ১১ মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা: এনবিআর

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

ইআরএফ এর পক্ষ থেকে বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা ৩.৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেয়া হলে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ‘এই সীমা বাড়ালে শূন্য রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এখনই ই-রিটার্ন দাখিলকারীদের দুই-তৃতীয়াংশ করযোগ্য নন, যদি সীমা বাড়ে, এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাগজভিত্তিক রিটার্ন থেকে ডিজিটাল রিটার্নে গেলেও বাস্তব চিত্র বদলায়নি। মূল সমস্যা হলো গুণগত করদাতার সংখ্যা খুবই কম। এ পরিস্থিতিকে অবশ্যই গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।’

এনবিআর প্রধান এই চ্যালেঞ্জকে মাঝারি আকারের উল্লেখ করে বলেন, ‘চ্যালেঞ্জটা খুব বড় নয়, তবে উপেক্ষাযোগ্যও নয়। আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে, আমরা কীভাবে গুণগত করদাতার সংখ্যা বাড়াতে পারি।’ তিনি আরও স্বীকার করেন, ‘আমরা এখনো কর ফাঁকি শনাক্তকরণ এবং কার্যক্রম পরিচালনায় যথেষ্ট মনোযোগ দিইনি। এটি তদন্ত ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে।’

এনবিআর ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ে এলাকাভিত্তিক কার্যকর কৌশল চালু করার কথা ভাবছে বলেও জানান তিনি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ, আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

করদাতা বাড়ছে, রাজস্ব বাড়ছে না, ১০ লাখ ই-রিটার্ন দাখিল করলেও করযোগ্য আয় নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৭:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, ই-রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা বাড়লেও রাজস্ব আয় বাড়ছে না। কারণ, অধিকাংশ করদাতার আয় করযোগ্য সীমার নিচে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে দাখিলকৃত ১৫ লাখ ই-রিটার্নের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ করদাতারই করযোগ্য আয় নেই। তারা হয়তো শূন্য রিটার্ন জমা দিয়েছেন, অথবা তাদের আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার করমুক্ত সীমার নিচে।

আরও পড়ুন  ১১ মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা: এনবিআর

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

ইআরএফ এর পক্ষ থেকে বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা ৩.৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেয়া হলে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ‘এই সীমা বাড়ালে শূন্য রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এখনই ই-রিটার্ন দাখিলকারীদের দুই-তৃতীয়াংশ করযোগ্য নন, যদি সীমা বাড়ে, এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাগজভিত্তিক রিটার্ন থেকে ডিজিটাল রিটার্নে গেলেও বাস্তব চিত্র বদলায়নি। মূল সমস্যা হলো গুণগত করদাতার সংখ্যা খুবই কম। এ পরিস্থিতিকে অবশ্যই গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।’

এনবিআর প্রধান এই চ্যালেঞ্জকে মাঝারি আকারের উল্লেখ করে বলেন, ‘চ্যালেঞ্জটা খুব বড় নয়, তবে উপেক্ষাযোগ্যও নয়। আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে, আমরা কীভাবে গুণগত করদাতার সংখ্যা বাড়াতে পারি।’ তিনি আরও স্বীকার করেন, ‘আমরা এখনো কর ফাঁকি শনাক্তকরণ এবং কার্যক্রম পরিচালনায় যথেষ্ট মনোযোগ দিইনি। এটি তদন্ত ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে।’

এনবিআর ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ে এলাকাভিত্তিক কার্যকর কৌশল চালু করার কথা ভাবছে বলেও জানান তিনি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ, আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’