ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

মার্চে রেমিট্যান্সের গতি চাঙা, ২২ দিনেই এসেছে প্রায় ২৪৪ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 194

ছবি সংগৃহীত

 

 

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৩ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৯ হাজার ৭৩৭ কোটি ৫০ লাখ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৮ লাখ ডলার, যা অর্থনীতির জন্য আশাব্যঞ্জক এক বার্তা।

আরও পড়ুন  শীর্ষক: রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি: জুনের ২৮ দিনেই এসেছে ২৫৩ কোটি ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রবাসীরা মার্চের ১ তারিখেই পাঠিয়েছেন ৩ কোটি ৮০ হাজার ডলার। এরপর ২ থেকে ৮ মার্চ সময়ে এসেছে ৭৮ কোটি ৪২ লাখ ডলার, ৯ থেকে ১৫ মার্চ সময়ে এসেছে ৮৪ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং ১৬ থেকে ২২ মার্চ সময়ে এসেছে ৭৮ কোটি ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

রেমিট্যান্সের এই প্রবাহে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। এ মাধ্যমেই এসেছে ১৭০ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১৯ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের পূর্ববর্তী দুই মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল উল্লেখযোগ্য। জানুয়ারিতে এসেছে ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

২০২৪ সাল জুড়ে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা, বৈধ চ্যানেলের ব্যবহার এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে কড়াকড়ি রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। চলতি ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে সামনের মাসগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদেশে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষেরা দেশের অর্থনীতিতে যে অবদান রাখছেন, তা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সময় এসেছে এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আরও বেশি মূল্যায়নের।

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্চে রেমিট্যান্সের গতি চাঙা, ২২ দিনেই এসেছে প্রায় ২৪৪ কোটি ডলার

আপডেট সময় ১২:১৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৩ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৯ হাজার ৭৩৭ কোটি ৫০ লাখ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৮ লাখ ডলার, যা অর্থনীতির জন্য আশাব্যঞ্জক এক বার্তা।

আরও পড়ুন  ডলারের পতনে স্বর্ণের দাম আকাশ ছুঁয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রবাসীরা মার্চের ১ তারিখেই পাঠিয়েছেন ৩ কোটি ৮০ হাজার ডলার। এরপর ২ থেকে ৮ মার্চ সময়ে এসেছে ৭৮ কোটি ৪২ লাখ ডলার, ৯ থেকে ১৫ মার্চ সময়ে এসেছে ৮৪ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং ১৬ থেকে ২২ মার্চ সময়ে এসেছে ৭৮ কোটি ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

রেমিট্যান্সের এই প্রবাহে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। এ মাধ্যমেই এসেছে ১৭০ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১৯ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের পূর্ববর্তী দুই মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল উল্লেখযোগ্য। জানুয়ারিতে এসেছে ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

২০২৪ সাল জুড়ে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা, বৈধ চ্যানেলের ব্যবহার এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে কড়াকড়ি রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। চলতি ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে সামনের মাসগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদেশে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষেরা দেশের অর্থনীতিতে যে অবদান রাখছেন, তা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সময় এসেছে এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আরও বেশি মূল্যায়নের।