ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 388

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতেই তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। হোয়াইট হাউস এই আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।

আরও পড়ুন  সিরিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি: ট্রাম্প কি প্রত্যাহার করবেন?

ওভাল অফিসের এক বিতর্কের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নিলে সেগুলো আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে বলে তিনি মত দেন।

তবে এটি শুধুই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়, তাহলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং দেশটির নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এটি হবে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, এটি রাশিয়ার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবনা

আপডেট সময় ০৪:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতেই তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। হোয়াইট হাউস এই আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।

আরও পড়ুন  ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়: ট্রাম্পের দাবি

ওভাল অফিসের এক বিতর্কের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নিলে সেগুলো আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে বলে তিনি মত দেন।

তবে এটি শুধুই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়, তাহলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং দেশটির নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এটি হবে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, এটি রাশিয়ার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।