০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 97

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতেই তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। হোয়াইট হাউস এই আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।

বিজ্ঞাপন

ওভাল অফিসের এক বিতর্কের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নিলে সেগুলো আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে বলে তিনি মত দেন।

তবে এটি শুধুই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়, তাহলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং দেশটির নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এটি হবে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, এটি রাশিয়ার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবনা

আপডেট সময় ০৪:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতেই তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। হোয়াইট হাউস এই আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।

বিজ্ঞাপন

ওভাল অফিসের এক বিতর্কের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নিলে সেগুলো আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে বলে তিনি মত দেন।

তবে এটি শুধুই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়, তাহলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং দেশটির নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এটি হবে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, এটি রাশিয়ার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।