ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 207

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতেই তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। হোয়াইট হাউস এই আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি: ট্রাম্প-পুতিন আলোচনায় অনেক বিষয়ে একমত

ওভাল অফিসের এক বিতর্কের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নিলে সেগুলো আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে বলে তিনি মত দেন।

তবে এটি শুধুই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়, তাহলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং দেশটির নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এটি হবে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, এটি রাশিয়ার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবনা

আপডেট সময় ০৪:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতেই তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। হোয়াইট হাউস এই আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি: ট্রাম্প-পুতিন আলোচনায় অনেক বিষয়ে একমত

ওভাল অফিসের এক বিতর্কের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নিলে সেগুলো আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে বলে তিনি মত দেন।

তবে এটি শুধুই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়, তাহলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং দেশটির নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এটি হবে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, এটি রাশিয়ার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।