ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 380

ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের মেয়াদ আরও তিন মাস বৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিশনকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কমিশনস অব ইনকোয়্যারি অ্যাক্ট-১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ আদেশ ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’

আরও পড়ুন  বিচারের আওতায় আনতেই হবে হাসিনা ও সহযোগীদের – জাতিসংঘ

গত বছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনটি গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

প্রথমে এই কমিশনকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সরকার ফের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিল।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০টি অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। কমিশন ইতোমধ্যে এর মধ্যে ৩৮৩টি অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করেছে। যাচাইকৃত অভিযোগগুলোর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগই বেশি। কমিশনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ১৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে বলে তারা আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

আপডেট সময় ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের মেয়াদ আরও তিন মাস বৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিশনকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কমিশনস অব ইনকোয়্যারি অ্যাক্ট-১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ আদেশ ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’

আরও পড়ুন  সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক

গত বছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনটি গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

প্রথমে এই কমিশনকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সরকার ফের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিল।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০টি অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। কমিশন ইতোমধ্যে এর মধ্যে ৩৮৩টি অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করেছে। যাচাইকৃত অভিযোগগুলোর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগই বেশি। কমিশনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ১৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে বলে তারা আশাবাদী।