ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত আল আমিনের লাশ ফেরত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 463

ছবি সংগৃহীত

 

পঞ্চগড়ের ভিতরগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আল আমিন (৩৬)-এর মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানা-পুলিশ আল আমিনের লাশ তেঁতুলিয়া মডেল থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে, তেঁতুলিয়া থানার পুলিশ নিহত আল আমিনের মরদেহ তাঁর স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেয়।

এ সময় বিএসএফ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আল আমিন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে। বিজিবি জানায়, তিনি সীমান্তে চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আরও পড়ুন  সুনামগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

গত শুক্রবার গভীর রাতে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় সীমান্তে ৭৪৪ নম্বর মেইন পিলারের ৭ নম্বর সাবপিলার এলাকায় বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হয় আল আমিনের। ভারতের ভাটপাড়া এলাকার কাঁটাতারের বেড়ার কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিএসএফ তার মরদেহ ভারতীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ঘটনার পর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম বৈঠকটি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে এবং দ্বিতীয়টি সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে। বিএসএফ পুলিশের আইনি কার্যক্রম শেষ করার পর, নিহতের মরদেহ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

মঙ্গলবার রাতে, আল আমিনের ভাতিজা সাব্বির হোসেন বলেন, “রাতে পুলিশ আমাদের কাছে চাচার মরদেহ হস্তান্তর করার পরপরই আমরা তা বাড়িতে নিয়ে এসেছি। বুধবার সকাল ৯টায় জানাজা শেষে তাকে স্থানীয় পাহাড়বাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হবে।”

হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইয়েদ নূর-ই-আলম জানান, “চার দিন পর আল আমিনের মরদেহ ফেরত পেয়েছে তার পরিবার। তাঁর লাশ বর্তমানে বাড়িতে রয়েছে, এবং বুধবার সকালে দাফন সম্পন্ন হবে।” এ ঘটনায় সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি, নিহত আল আমিনের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত আল আমিনের লাশ ফেরত

আপডেট সময় ১১:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

পঞ্চগড়ের ভিতরগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আল আমিন (৩৬)-এর মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানা-পুলিশ আল আমিনের লাশ তেঁতুলিয়া মডেল থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে, তেঁতুলিয়া থানার পুলিশ নিহত আল আমিনের মরদেহ তাঁর স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেয়।

এ সময় বিএসএফ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আল আমিন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে। বিজিবি জানায়, তিনি সীমান্তে চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আরও পড়ুন  পাবনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গৃহবধূ নিহত, আহত ১০

গত শুক্রবার গভীর রাতে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় সীমান্তে ৭৪৪ নম্বর মেইন পিলারের ৭ নম্বর সাবপিলার এলাকায় বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হয় আল আমিনের। ভারতের ভাটপাড়া এলাকার কাঁটাতারের বেড়ার কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিএসএফ তার মরদেহ ভারতীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ঘটনার পর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম বৈঠকটি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে এবং দ্বিতীয়টি সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে। বিএসএফ পুলিশের আইনি কার্যক্রম শেষ করার পর, নিহতের মরদেহ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

মঙ্গলবার রাতে, আল আমিনের ভাতিজা সাব্বির হোসেন বলেন, “রাতে পুলিশ আমাদের কাছে চাচার মরদেহ হস্তান্তর করার পরপরই আমরা তা বাড়িতে নিয়ে এসেছি। বুধবার সকাল ৯টায় জানাজা শেষে তাকে স্থানীয় পাহাড়বাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হবে।”

হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইয়েদ নূর-ই-আলম জানান, “চার দিন পর আল আমিনের মরদেহ ফেরত পেয়েছে তার পরিবার। তাঁর লাশ বর্তমানে বাড়িতে রয়েছে, এবং বুধবার সকালে দাফন সম্পন্ন হবে।” এ ঘটনায় সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি, নিহত আল আমিনের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।