ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

বিদেশে পাচার হওয়া কোটি কোটি ডলার ফেরাতে দৃঢ় পদক্ষেপ: অর্থ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 373

ছবি সংগৃহীত

 

বিদেশে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ চলতি বছরেই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোর লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে, যার প্রভাব আগামী মাসেই দৃশ্যমান হবে। তিনি বলেন, “পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সে জন্য সরকার একটি বিশেষ আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যা দ্রুততম সময়ের মধ্যেই অধ্যাদেশ হিসেবে কার্যকর করা হবে।”

আরও পড়ুন  মানব পাচারকালে ২৬ জন আটক

অর্থ ফেরানোর প্রক্রিয়ায় গতি আনতে ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশের আর্থিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ভূমিকা রাখবে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য বিশেষ আইন দ্রুত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, “প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে অত্যন্ত সক্রিয়। দেশের জনগণের টাকা ফেরানো আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।”

তিনি আরও জানান, অর্থ ফেরানোর প্রক্রিয়াকে দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন করতে গত সেপ্টেম্বর মাসে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে এই টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বিশ্বব্যাপী অর্থপাচার মোকাবিলায় অন্যান্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে কার্যকর কৌশল গ্রহণ করছে। অর্থ উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সুসংহত হবে এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশে পাচার হওয়া কোটি কোটি ডলার ফেরাতে দৃঢ় পদক্ষেপ: অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

বিদেশে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ চলতি বছরেই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোর লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে, যার প্রভাব আগামী মাসেই দৃশ্যমান হবে। তিনি বলেন, “পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সে জন্য সরকার একটি বিশেষ আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যা দ্রুততম সময়ের মধ্যেই অধ্যাদেশ হিসেবে কার্যকর করা হবে।”

আরও পড়ুন  ব্যাংক মার্জার: ‘শূন্য’ হওয়া শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ ফেরানোর প্রক্রিয়ায় গতি আনতে ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশের আর্থিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ভূমিকা রাখবে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য বিশেষ আইন দ্রুত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, “প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে অত্যন্ত সক্রিয়। দেশের জনগণের টাকা ফেরানো আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।”

তিনি আরও জানান, অর্থ ফেরানোর প্রক্রিয়াকে দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন করতে গত সেপ্টেম্বর মাসে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে এই টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বিশ্বব্যাপী অর্থপাচার মোকাবিলায় অন্যান্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে কার্যকর কৌশল গ্রহণ করছে। অর্থ উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সুসংহত হবে এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।