ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, মরদেহ ফেরতের দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫
  • / 508

ছবি: সংগৃহীত

 

পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে আল আমিন (৩৮) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৮ মার্চ) ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের ভিতরগড় সুইডাঙ্গা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আল আমিন উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন  দেশে পৌঁছাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ

স্থানীয় সূত্র ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, শনিবার ভোরে আল আমিনসহ কয়েকজন যুবক সীমান্তে গরু আনতে গেলে ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ভাটপাড়া ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

গোলাগুলির পর ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা জানতে পারেন, সীমান্তের কাছে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। পরে পরিবারের সদস্যরা ছবির মাধ্যমে মরদেহটি আল আমিনের বলে শনাক্ত করেন। তবে ঘটনার পরপরই বিএসএফ সদস্যরা মরদেহটি নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা জানান, এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান করেছে। একই সঙ্গে নিহতের মরদেহ দ্রুত ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

সীমান্তে গুলির ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত মরদেহ ফেরতের পাশাপাশি সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, মরদেহ ফেরতের দাবি

আপডেট সময় ০৫:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

 

পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে আল আমিন (৩৮) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৮ মার্চ) ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের ভিতরগড় সুইডাঙ্গা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আল আমিন উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন  দেশে পৌঁছাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ

স্থানীয় সূত্র ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, শনিবার ভোরে আল আমিনসহ কয়েকজন যুবক সীমান্তে গরু আনতে গেলে ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ভাটপাড়া ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

গোলাগুলির পর ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা জানতে পারেন, সীমান্তের কাছে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। পরে পরিবারের সদস্যরা ছবির মাধ্যমে মরদেহটি আল আমিনের বলে শনাক্ত করেন। তবে ঘটনার পরপরই বিএসএফ সদস্যরা মরদেহটি নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা জানান, এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান করেছে। একই সঙ্গে নিহতের মরদেহ দ্রুত ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

সীমান্তে গুলির ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত মরদেহ ফেরতের পাশাপাশি সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।