ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য নতুন আশা: এমপিওভুক্তির পথে পদক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 218

ছবি সংগৃহীত

 

ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদের জন্য সুখবর আসছে। বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ তাঁর শেষ কর্মদিবসে ইবতেদায়ি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন। এখন প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিলে, ৪০ বছরের পরিশ্রমের ফলস্বরূপ এক হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসার ছয় হাজারের বেশি শিক্ষক এমপিওভুক্ত হবেন।

এমপিওভুক্তির প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে বিদায় নেন ড. মাহমুদ। তিনি জানান, দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে এটি একটি প্রথম পদক্ষেপ। ১৫-২০ বছরের বঞ্চনা একদিনের বাজেটে পূর্ণ হয় না, তবে এটি একটি ভাল শুরু, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এবারের ঈদুল আজহা থেকে নতুন ভাতা পাবেন, যার মধ্যে উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া, অবসর ও কল্যাণ ভাতার জন্য একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে, যা আগামী বাজেটে আরও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন  শিক্ষক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “এটি শিক্ষক সমাজের জন্য ন্যায্য দাবি, যাদের দীর্ঘদিন ধরে অনাদৃত রাখা হয়েছিল। তবে, তাঁদের সংঘবদ্ধতার অভাবে কখনও এ বিষয়ে প্রতিবাদ ওঠেনি। আমি মনে করি, তাঁদের কল্যাণই সবচেয়ে আগে মেটানো উচিত।”

নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করার জন্য কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এমপিওভুক্তির ফাইল এখন প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে, এবং তাঁর অনুমোদন মিললে দ্রুতই শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পাবেন।

শিক্ষকদের ভাগ্য বদলাতে সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষক সমাজে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে, যা আগামীতে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে পরিণত হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য নতুন আশা: এমপিওভুক্তির পথে পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদের জন্য সুখবর আসছে। বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ তাঁর শেষ কর্মদিবসে ইবতেদায়ি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন। এখন প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিলে, ৪০ বছরের পরিশ্রমের ফলস্বরূপ এক হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসার ছয় হাজারের বেশি শিক্ষক এমপিওভুক্ত হবেন।

এমপিওভুক্তির প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে বিদায় নেন ড. মাহমুদ। তিনি জানান, দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে এটি একটি প্রথম পদক্ষেপ। ১৫-২০ বছরের বঞ্চনা একদিনের বাজেটে পূর্ণ হয় না, তবে এটি একটি ভাল শুরু, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এবারের ঈদুল আজহা থেকে নতুন ভাতা পাবেন, যার মধ্যে উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া, অবসর ও কল্যাণ ভাতার জন্য একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে, যা আগামী বাজেটে আরও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন  শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের করা উচিত নয়: শিক্ষা উপদেষ্টা

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “এটি শিক্ষক সমাজের জন্য ন্যায্য দাবি, যাদের দীর্ঘদিন ধরে অনাদৃত রাখা হয়েছিল। তবে, তাঁদের সংঘবদ্ধতার অভাবে কখনও এ বিষয়ে প্রতিবাদ ওঠেনি। আমি মনে করি, তাঁদের কল্যাণই সবচেয়ে আগে মেটানো উচিত।”

নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করার জন্য কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এমপিওভুক্তির ফাইল এখন প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে, এবং তাঁর অনুমোদন মিললে দ্রুতই শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পাবেন।

শিক্ষকদের ভাগ্য বদলাতে সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষক সমাজে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে, যা আগামীতে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে পরিণত হবে।