ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

অর্থ পাচারের অভিযোগে আপিল বিভাগ থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 239

ছবি: সংগৃহীত

 

সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে অর্থপাচার আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের সাজা থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত ৪ মার্চ, আপিল শুনানির পর রায়ের জন্য এদিন নির্ধারণ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। এর আগে, ১০ ডিসেম্বর মামুনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের অনুমতি দিয়ে দণ্ড স্থগিত করা হয়। এরপর, মামুন আপিল করার পর এ রায় আসে।

আরও পড়ুন  নয়াপল্টনে বিএনপির যুবসমাবেশ আজ, প্রধান অতিথি তারেক রহমান

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদক রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করে। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

মামলায় বলা হয়, টঙ্গীতে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নিয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এই টাকা সিঙ্গাপুরে লেনদেন হয় এবং মামুন সিটি ব্যাংক এনএ-তে নিজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। পরে, এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন।

মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের এজেন্ট ডেবরা লেপরোভেটও ছিলেন। তবে আপিল বিভাগের রায়ে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে দুই আসামির বিরুদ্ধে সকল দণ্ড বাতিল করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ পাচারের অভিযোগে আপিল বিভাগ থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুন

আপডেট সময় ০১:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে অর্থপাচার আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের সাজা থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত ৪ মার্চ, আপিল শুনানির পর রায়ের জন্য এদিন নির্ধারণ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। এর আগে, ১০ ডিসেম্বর মামুনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের অনুমতি দিয়ে দণ্ড স্থগিত করা হয়। এরপর, মামুন আপিল করার পর এ রায় আসে।

আরও পড়ুন  মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে বিরোধী দলের দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদক রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করে। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

মামলায় বলা হয়, টঙ্গীতে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নিয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এই টাকা সিঙ্গাপুরে লেনদেন হয় এবং মামুন সিটি ব্যাংক এনএ-তে নিজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। পরে, এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন।

মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের এজেন্ট ডেবরা লেপরোভেটও ছিলেন। তবে আপিল বিভাগের রায়ে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে দুই আসামির বিরুদ্ধে সকল দণ্ড বাতিল করা হয়েছে।