ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বিশ্ব বাণিজ্য পথের নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের নতুন কৌশল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 394

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্ব অর্থনীতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর নিয়ন্ত্রণের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। তার এই পরিকল্পনা বিশ্বের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য পথের উপর প্রভাব বিস্তারের দিকে নজর দিচ্ছে, যার মধ্যে গ্রীণল্যান্ড, পানামা খাল, সুয়েজ খাল, দক্ষিণ চীন সাগর এবং হরমুজ প্রণালী অন্যতম।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একের পর এক শুল্ক আরোপ এবং ভূ-রাজনৈতিক দখলের চেষ্টা তার অর্থনীতি শক্তিশালী করার নতুন কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান করিডোরগুলোর নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের আগ্রহ তার আধিপত্য বিস্তারের ইচ্ছাকে আরও দৃঢ় করছে। বিশেষ করে, তিনি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে একটি নতুন অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের দিকে নজর দিয়েছেন, যেখানে পণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বন্দর, রেলপথ এবং সাবমেরিন ক্যাবলে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন-বিরোধী উস্কানির অভিযোগ: হার্ভার্ডে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করল ট্রাম্প

এটি ভবিষ্যতে সুয়েজ খালের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি নতুন প্রধান পথ হতে পারে। এছাড়া, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দমন করার জন্য এই রুটের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছেন ট্রাম্প, যা যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের অংশ।

দক্ষিণ চীন সাগরের উপরও ট্রাম্পের প্রভাব বিস্তার করার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রতি বছর ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে। এ ছাড়া, কানাডা এবং গ্রীনল্যান্ডের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা পুরনো, তবে এখন পানামা খালের দিকে মনোযোগ বাড়ানো হয়েছে। ৩৪০ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা এই পথে এশিয়া ও ইউরোপের বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করবে।

রাশিয়ার আর্কটিক উপকূলের নিকট মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন স্বার্থের প্রতি গভীর মনোযোগ রয়েছে, যেখানে পৃথিবীজুড়ে ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এটি স্পষ্ট যে, ট্রাম্প তার বাণিজ্য এবং সামরিক কৌশলের মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলোতে আধিপত্য বিস্তারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ়।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব বাণিজ্য পথের নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের নতুন কৌশল

আপডেট সময় ০৫:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

 

বিশ্ব অর্থনীতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর নিয়ন্ত্রণের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। তার এই পরিকল্পনা বিশ্বের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য পথের উপর প্রভাব বিস্তারের দিকে নজর দিচ্ছে, যার মধ্যে গ্রীণল্যান্ড, পানামা খাল, সুয়েজ খাল, দক্ষিণ চীন সাগর এবং হরমুজ প্রণালী অন্যতম।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একের পর এক শুল্ক আরোপ এবং ভূ-রাজনৈতিক দখলের চেষ্টা তার অর্থনীতি শক্তিশালী করার নতুন কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান করিডোরগুলোর নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের আগ্রহ তার আধিপত্য বিস্তারের ইচ্ছাকে আরও দৃঢ় করছে। বিশেষ করে, তিনি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে একটি নতুন অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের দিকে নজর দিয়েছেন, যেখানে পণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বন্দর, রেলপথ এবং সাবমেরিন ক্যাবলে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন আইন, অবৈধ হলো বহু বৈধ অভিবাসী

এটি ভবিষ্যতে সুয়েজ খালের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি নতুন প্রধান পথ হতে পারে। এছাড়া, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দমন করার জন্য এই রুটের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছেন ট্রাম্প, যা যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের অংশ।

দক্ষিণ চীন সাগরের উপরও ট্রাম্পের প্রভাব বিস্তার করার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রতি বছর ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে। এ ছাড়া, কানাডা এবং গ্রীনল্যান্ডের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা পুরনো, তবে এখন পানামা খালের দিকে মনোযোগ বাড়ানো হয়েছে। ৩৪০ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা এই পথে এশিয়া ও ইউরোপের বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করবে।

রাশিয়ার আর্কটিক উপকূলের নিকট মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন স্বার্থের প্রতি গভীর মনোযোগ রয়েছে, যেখানে পৃথিবীজুড়ে ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এটি স্পষ্ট যে, ট্রাম্প তার বাণিজ্য এবং সামরিক কৌশলের মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলোতে আধিপত্য বিস্তারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ়।