ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন: নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • / 220

ছবি সংগৃহীত

 

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার স্বীকৃত। তবে এই ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো স্পষ্ট নীতিমালা বা গাইডলাইন না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে, কেন এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে না। এই প্রশ্নের ওপর আজ হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ সোমবার একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এই রুল প্রদান করেন। রুলে আদালত জানতে চেয়েছে, কেন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো নীতিমালা প্রণয়ন না করাকে সংবিধানের ৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য বিভ্রান্তিকর: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে, আদালত বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো নীতিমালা না থাকার কারণে, এর ব্যবহার নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান ২০ জানুয়ারি এই বিষয়ে রিট করেন এবং নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন জানান।

ইশরাত হাসান আদালতে জানান, ‘‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন ক্ষমতা ইতোমধ্যে বহু সাজাপ্রাপ্ত আসামির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়েছে, বিশেষত হত্যাকাণ্ডের দণ্ডপ্রাপ্তরা। তবে ক্ষমা প্রদর্শন কোন ভিত্তিতে এবং কীভাবে করা হয়, তা নিয়ে কোনো নীতিমালা না থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাদৃষ্টে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অপব্যবহারও লক্ষ্য করা গেছে।’’ তিনি আরও জানান, ক্ষমা প্রদর্শনের এ অনিয়মে সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে, যা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ব্যবহারে স্পষ্ট নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা দেখায়।

এদিকে, আদালত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন। জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করা হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সুষম নীতিমালা তৈরি করা সম্ভব হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন: নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় ০৫:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

 

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার স্বীকৃত। তবে এই ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো স্পষ্ট নীতিমালা বা গাইডলাইন না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে, কেন এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে না। এই প্রশ্নের ওপর আজ হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ সোমবার একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এই রুল প্রদান করেন। রুলে আদালত জানতে চেয়েছে, কেন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো নীতিমালা প্রণয়ন না করাকে সংবিধানের ৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করলে রাজপথে নামবে ১১ দলীয় ঐক্য

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে, আদালত বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো নীতিমালা না থাকার কারণে, এর ব্যবহার নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান ২০ জানুয়ারি এই বিষয়ে রিট করেন এবং নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন জানান।

ইশরাত হাসান আদালতে জানান, ‘‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন ক্ষমতা ইতোমধ্যে বহু সাজাপ্রাপ্ত আসামির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়েছে, বিশেষত হত্যাকাণ্ডের দণ্ডপ্রাপ্তরা। তবে ক্ষমা প্রদর্শন কোন ভিত্তিতে এবং কীভাবে করা হয়, তা নিয়ে কোনো নীতিমালা না থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাদৃষ্টে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অপব্যবহারও লক্ষ্য করা গেছে।’’ তিনি আরও জানান, ক্ষমা প্রদর্শনের এ অনিয়মে সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে, যা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ব্যবহারে স্পষ্ট নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা দেখায়।

এদিকে, আদালত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন। জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করা হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সুষম নীতিমালা তৈরি করা সম্ভব হয়।