ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

তাইওয়ান উপকূলে চীনের সামরিক মহড়া, নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 475

ছবি সংগৃহীত

 

তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে চীনের সামরিক বাহিনী সম্প্রতি এক “শুটিং ট্রেনিং” মহড়া পরিচালনা করেছে, যা কড়া সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মহড়াকে একেবারে উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে, এবং এর ফলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, মহড়ায় চীনের ৩২টি সামরিক বিমান এবং যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয়। এসব বাহিনী তাইওয়ানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অনুশীলন চালায়, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। চীন কোন পূর্বঘোষণা ছাড়াই এই মহড়া পরিচালনা করায়, তাইওয়ান এতে বেশ উদ্বিগ্ন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের চীন যাত্রায় আসতে পারে বড় ঘোষণা, সফরে চুক্তি নয়, হবে এমওইউ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহড়ার স্থান ছিল তাইওয়ানের উপকূল থেকে মাত্র ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি স্পর্শকাতর এলাকায় পড়ে। এই ধরনের সামরিক মহড়া উপকূলে সংঘাতের সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীন এভাবে যুদ্ধবিরোধী মহড়া পরিচালনা করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে পারে। তাইওয়ানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, চীনের এই কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং রাজনৈতিক চাপও তৈরি করা।

এদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই ঘটনাটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আশা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি আরও অবনতি না হয়, সে জন্য উভয় পক্ষই সংযত আচরণ করবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

তাইওয়ান উপকূলে চীনের সামরিক মহড়া, নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি

আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে চীনের সামরিক বাহিনী সম্প্রতি এক “শুটিং ট্রেনিং” মহড়া পরিচালনা করেছে, যা কড়া সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মহড়াকে একেবারে উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে, এবং এর ফলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, মহড়ায় চীনের ৩২টি সামরিক বিমান এবং যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয়। এসব বাহিনী তাইওয়ানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অনুশীলন চালায়, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। চীন কোন পূর্বঘোষণা ছাড়াই এই মহড়া পরিচালনা করায়, তাইওয়ান এতে বেশ উদ্বিগ্ন।

আরও পড়ুন  বহুবছর পর মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের চীনে সফর

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহড়ার স্থান ছিল তাইওয়ানের উপকূল থেকে মাত্র ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি স্পর্শকাতর এলাকায় পড়ে। এই ধরনের সামরিক মহড়া উপকূলে সংঘাতের সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীন এভাবে যুদ্ধবিরোধী মহড়া পরিচালনা করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে পারে। তাইওয়ানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, চীনের এই কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং রাজনৈতিক চাপও তৈরি করা।

এদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই ঘটনাটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আশা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি আরও অবনতি না হয়, সে জন্য উভয় পক্ষই সংযত আচরণ করবে।