ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য নতুন সতর্কতা: জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান প্রস্তাব করলেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 487

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত যেসব অবৈধ অভিবাসী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নিবন্ধিত হননি, তাদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখযোগ্য জরিমানা, সম্ভাব্য কারাদণ্ড কিংবা দুটোরই মুখোমুখি হতে পারেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক মুখপাত্র জানান, ‘ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন আইন পুরোপুরি প্রয়োগ করবে। কোনো আইন বেছে বেছে প্রয়োগ করা হবে না। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, আমাদের মাতৃভূমি এবং দেশের সব নাগরিকের সুরক্ষা, এবং জানাটা যে, কে আমাদের দেশে অবস্থান করছেন।’

আরও পড়ুন  ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরকে গ্রেপ্তার করা হলে বিষয়টি ‘দারুণ’ হবে: মন্তব্য ট্রাম্পের

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৪ বছরের বেশি বয়সী যেসব অভিবাসী মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু নিবন্ধিত হননি কিংবা আঙুলের ছাপ দেননি এবং যাঁরা ৩০ দিন বা তার বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের নিবন্ধন এবং আঙুলের ছাপ প্রদান বাধ্যতামূলক।

যখন অভিবাসী নিবন্ধন করবেন এবং আঙুলের ছাপ দেবেন, তখন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ একটি প্রমাণপত্র সরবরাহ করবে, যা ১৮ বছরের বেশি বয়সী অভিবাসীদের সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে অভিবাসীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন বাইডেন সরকারের সিবিপি ওয়ান এন্ট্রি কর্মসূচি বন্ধ করারও চেষ্টা করছে, যা লাখ লাখ অভিবাসীকে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছিল।

এটি দেশের অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং কঠোর আইন প্রয়োগের সংকেত দেয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য নতুন সতর্কতা: জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান প্রস্তাব করলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০১:৪০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত যেসব অবৈধ অভিবাসী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নিবন্ধিত হননি, তাদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখযোগ্য জরিমানা, সম্ভাব্য কারাদণ্ড কিংবা দুটোরই মুখোমুখি হতে পারেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক মুখপাত্র জানান, ‘ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন আইন পুরোপুরি প্রয়োগ করবে। কোনো আইন বেছে বেছে প্রয়োগ করা হবে না। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, আমাদের মাতৃভূমি এবং দেশের সব নাগরিকের সুরক্ষা, এবং জানাটা যে, কে আমাদের দেশে অবস্থান করছেন।’

আরও পড়ুন  পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় জয়ের ইঙ্গিত, ট্রাম্পের কৌশলগত বিজয়

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৪ বছরের বেশি বয়সী যেসব অভিবাসী মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু নিবন্ধিত হননি কিংবা আঙুলের ছাপ দেননি এবং যাঁরা ৩০ দিন বা তার বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের নিবন্ধন এবং আঙুলের ছাপ প্রদান বাধ্যতামূলক।

যখন অভিবাসী নিবন্ধন করবেন এবং আঙুলের ছাপ দেবেন, তখন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ একটি প্রমাণপত্র সরবরাহ করবে, যা ১৮ বছরের বেশি বয়সী অভিবাসীদের সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে অভিবাসীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন বাইডেন সরকারের সিবিপি ওয়ান এন্ট্রি কর্মসূচি বন্ধ করারও চেষ্টা করছে, যা লাখ লাখ অভিবাসীকে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছিল।

এটি দেশের অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং কঠোর আইন প্রয়োগের সংকেত দেয়।