ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশ্ব

ম্যাক্রোঁ-স্টারমার: ট্রাম্পকে পুতিনের সাথে আলাপ-আলোচনা থেকে বিরত রাখতে মরিয়া 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 203

ছবি সংগৃহীত

 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন সংকটে আলাদা আলোচনা থেকে বিরত রাখতে প্রচণ্ড চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান কখনই একতরফা কোনো দেশ বা নেতৃত্বের মাধ্যমে আসতে পারে না, বিশেষ করে যদি সেটা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা কোনো সমঝোতা হয়।

এদিকে, ইউরোপের এই দুই নেতার আশ্বাস, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তারা অব্যাহতভাবে সামরিক এবং অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাবে। তাদের মূল বার্তা হচ্ছে যদি যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার সঙ্গে কোনো গোপন সমঝোতা করতে চায়, তবে ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোই ইউক্রেনকে রক্ষার দায়িত্ব নিবে।

আরও পড়ুন  বৈঠকে অসমাপ্ত আলোচনা: ট্রাম্প ও পুতিনের কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব

এ পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান আগের মতোই স্পষ্ট। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বলে আসছেন, “ইউরোপের যুদ্ধ, ইউরোপই করবে।” ইউক্রেনের সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের কম গুরুত্ব ও ইউরোপের ওপর চাপ বেড়ে যাওয়ায়, ট্রাম্পের বক্তব্য কার্যত আরেকবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর ভূমিকা এখন বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের এই নতুন কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে কিছুটা সংকুচিত করতে পারে, তবে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপে এর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনও অনিশ্চিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব

ম্যাক্রোঁ-স্টারমার: ট্রাম্পকে পুতিনের সাথে আলাপ-আলোচনা থেকে বিরত রাখতে মরিয়া 

আপডেট সময় ০২:২৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন সংকটে আলাদা আলোচনা থেকে বিরত রাখতে প্রচণ্ড চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান কখনই একতরফা কোনো দেশ বা নেতৃত্বের মাধ্যমে আসতে পারে না, বিশেষ করে যদি সেটা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা কোনো সমঝোতা হয়।

এদিকে, ইউরোপের এই দুই নেতার আশ্বাস, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তারা অব্যাহতভাবে সামরিক এবং অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাবে। তাদের মূল বার্তা হচ্ছে যদি যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার সঙ্গে কোনো গোপন সমঝোতা করতে চায়, তবে ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোই ইউক্রেনকে রক্ষার দায়িত্ব নিবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-পুতিনের দীর্ঘ ফোনালাপ: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা অবিলম্বে শুরু হবে

এ পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান আগের মতোই স্পষ্ট। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বলে আসছেন, “ইউরোপের যুদ্ধ, ইউরোপই করবে।” ইউক্রেনের সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের কম গুরুত্ব ও ইউরোপের ওপর চাপ বেড়ে যাওয়ায়, ট্রাম্পের বক্তব্য কার্যত আরেকবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর ভূমিকা এখন বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের এই নতুন কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে কিছুটা সংকুচিত করতে পারে, তবে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপে এর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনও অনিশ্চিত।