ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

প্রথমবার মোংলা বন্দরে রেলপথে পণ্য পরিবহন: নতুন দিগন্তের সূচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 498

ছবি সংগৃহীত

 

মোংলা বন্দর দিয়ে রেলপথে পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ৩০টি ওয়াগনে প্রায় এক হাজার ৫০ টন চিটাগুড় সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি পৌঁছেছে। বাকী পণ্য সড়কপথ ও রেলপথে ধাপে ধাপে পরিবহন করা হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ জাহাজে প্রায় ১৫০০ মেট্রিকটন চিটাগুড় মোংলা বন্দরে আসে। এই পণ্য পরে ইউনাইটেড রিফাইনারি অ্যান্ড বাল্ক স্টোরেজ লিমিটেডে সংরক্ষণ করা হয়। গত শুক্রবার থেকে সেই পণ্য রেলপথে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  নতুন উৎসবের সূচনা হলো আজ: প্রধান উপদেষ্টা

তবে, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই রেলপথে পণ্য পরিবহন আনুষ্ঠানিক নয়। খুলনা-মোংলা রেলপথের জন্য একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে খুলনা-মোংলা রেলপথ একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল মোংলা বন্দরের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন সহজতর করা। কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়ে চলছে।

মোংলা বন্দর বার্থ-শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, “পণ্য পরিবহন ট্রেন চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন না। মোংলা বন্দর থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য পরিবহন করতে হবে।”

২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪,২৬১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২,৯৪৮ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রথমবার মোংলা বন্দরে রেলপথে পণ্য পরিবহন: নতুন দিগন্তের সূচনা

আপডেট সময় ১২:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মোংলা বন্দর দিয়ে রেলপথে পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ৩০টি ওয়াগনে প্রায় এক হাজার ৫০ টন চিটাগুড় সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি পৌঁছেছে। বাকী পণ্য সড়কপথ ও রেলপথে ধাপে ধাপে পরিবহন করা হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ জাহাজে প্রায় ১৫০০ মেট্রিকটন চিটাগুড় মোংলা বন্দরে আসে। এই পণ্য পরে ইউনাইটেড রিফাইনারি অ্যান্ড বাল্ক স্টোরেজ লিমিটেডে সংরক্ষণ করা হয়। গত শুক্রবার থেকে সেই পণ্য রেলপথে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  বন্দরের ভবিষ্যৎ আজ আদালতে নির্ধারণ, রায়ের অপেক্ষায় বন্দর অঙ্গন

তবে, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই রেলপথে পণ্য পরিবহন আনুষ্ঠানিক নয়। খুলনা-মোংলা রেলপথের জন্য একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে খুলনা-মোংলা রেলপথ একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল মোংলা বন্দরের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন সহজতর করা। কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়ে চলছে।

মোংলা বন্দর বার্থ-শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, “পণ্য পরিবহন ট্রেন চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন না। মোংলা বন্দর থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য পরিবহন করতে হবে।”

২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪,২৬১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২,৯৪৮ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ।